কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করেই মেধাতালিকায় ১২তম হওয়ার ঘটনাটি জালিয়াতি নয়, বরং আরেক ভর্তিচ্ছz ভুল করে উত্তরপত্রে নিজের রোল নম্বরের একটি সংখ্যা ভুল ভরাট করায় এ ঘটনা ঘটেছে। তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রতিবেদনে ‘বি’ ইউনিট কমিটির কোনো রকম জালিয়াতি তদন্ত কমিটির দৃষ্টিগোচর হয়নি। পরীক্ষার্থী ও কক্ষ পরিদর্শকের ভুলেই গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘বি’ ইউনিটের ফলাফলে অসামঞ্জস্যটি সংঘটিত হয় বলে তদন্ত কমিটি নিশ্চিত হয় বলে জানান তারা। আজ বুধবার থেকে যথারীতি ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়ে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ ইউনিটের ভর্তি কার্যক্রম চলবে বলে জানান বিশ^বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের। জানা যায়, সœাতক প্রথম বর্ষের ‘বি’ ইউনিটের ২০৬০৫০ রোলধারী সাজ্জাতুল ইসলাম ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ না করলেও প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় তিনি ১২তম হয়েছেন। এই পরিপ্রেড়্গিতে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কতৃ©ক গঠিত তদন্ত কমিটি মো. সাজ্জাতুল ইসলামের রেজাল্ট পর্যালোচনা করে।
তদন্ত প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, প্রকাশিত ফলাফলে ১২তম হওয়া সাজ্জাতুল ইসলামের রোল ছিল ২০৬০৫০। কেন্দ্র ছিল কোটবাড়ির টিচার্স ট্রেনিং কলেজের প্রশাসনিক ভবনের নিচতলার ৫নং কক্ষ। কিন্তু ওই কক্ষে পরীক্ষার্থীর উপস্থিতির স্বাক্ষর তালিকায় তার স্বাক্ষর ছিল না। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় এই রোল নম্বরের উত্তরপত্র পাওয়া যায় এবং ওএমআর মেশিনের মাধ্যমে এ উত্তরপত্র মূল্যায়িত হয় এবং ফল তৈরি হয়। ফল তৈরি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ইউনিটের প্রবেশপত্র যাচাই-বাছাই কমিটি মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রের কপি যাচাই-বাছাই করে। এ সময় সাজ্জাতুল ইসলামের প্রবেশপত্রও পাওয়া যায়নি। ফলাফলের পর তিনি মৌখিক সাক্ষাৎকারেও অংশগ্রহণ করতে আসেননি।