ভ্রাম্যমাণ খাদ্য পরীক্ষাগার চালু

ভ্রাম্যমাণ খাদ্য পরীক্ষাগার চালু করেছে নিরাপদ খাদ্য কতৃ©পক্ষ। গাড়ির ওপর স্থাপন করা এই পরীক্ষাগার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরবে। খাবার নিরাপদ কি-না, তা এখানে পরীক্ষা করা যাবে। পর্যায়ক্রমে এ ধরনের পরীক্ষাগার দেশের সব জেলায় চালু করা হবে।

গতকাল ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার উদ্বোধন করেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এ সময় তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে প্রতি জেলায় এই ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার চালু করা হবে। এর মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তার বিষয়টি আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।’

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরও বলেন, ‌‘আমাদের রি-অ্যাকটিভ অ্যাপ্রোচ থেকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং প্রো-অ্যাকটিভ অ্যাপ্রোচ অনুসরণ করতে হবে। এ ড়্গেত্রে জনগণকে সচেতন করার জন্য ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার অত্যন্ত যুগান্তকারী একটি উদ্যোগ। ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে বেড়াবে এবং খাবার নিরাপদ বা অনিরাপদ কি-না তা পরীক্ষা করবে।’

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সবাই জানি নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ একটি বিজ্ঞানভিত্তিক আইন ও বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বিজ্ঞানের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণকে সচেতন করার জন্য ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার অত্যন্ত যুগান্তকারী একটি উদ্যোগ। ভ্রাম্যমাণ নিরাপদ খাদ্য পরীক্ষাগার ঢাকা শহরের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে বেড়াবে এবং খাবার নিরাপদ বা অনিরাপদ কি-না তা পরীক্ষা করবে।’

এছাড়া দূষণ ও ভেজালের বিভিন্ন উৎস সম্পর্কিত ভিডিও প্রদর্শন এবং কীভাবে খাদ্য নিরাপদ রাখা যাবে তাও প্রদর্শন করবে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, অতি লোভ ও অতি মুনাফার লোভে একদল ভেজালকারী খাদ্যে ভেজাল মেশাচ্ছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান সারোয়ার জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে খাদ্য সচিব শাহাবুদ্দিন আহমদ, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) বাংলাদেশের প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন, ইউএসএআইডির প্রতিনিধি ডক্টর ওসাগিসহ দেশি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ, খাদ্য মন্ত্রণালয়, সহযোগী মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন এজেন্সির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।