সুইজারল্যান্ডে হানিমুন করবেন মিথিলা-সৃজিত

ঘরোয়া আয়োজনেই বিয়ে করলেন সৃজিত ও মিথিলা। শুক্রবার সন্ধ্যায় কলকাতায় সৃজিতের বাড়িতে তাদের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হয়। বিয়ের সময় মিথিলার মেয়ে আইরা’সহ তার বাবা মা ও আত্মীয়স্বজন ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন সৃজিতের পরিবারের সদস্য ও বন্ধু বান্ধবরা।

এদিকে মিথিলা-সৃজিতের বিয়ের পর থেকেই ভক্তরা উৎসুক হয়ে আছেন তারা কবে কোথায় হানিমুনে যাবেন। ভক্তদের সেই কৌতূহলও মেটালেন মিথিলা।

মিথিলা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, শনিবার সুইজারল্যান্ডে হানিমুনে যাচ্ছেন তারা। হানিমুনের পাশাপাশি জেনেভায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডির রেজিস্ট্রেশনও করবেন মিথিলা। সুইজারল্যান্ডে একান্তে এক সপ্তাহ সময় কাটাবেন তারা।

জানা যায়, বিয়ের আগেই ঢাকা থেকে কলকাতায় পাড়ি জমান মিথিলার মা-বাবাসহ আত্মীয়রা। মিথিলা জানান, হবু জামাইয়ের জন্য ঢাকা থেকে তারা ইলিশ মাছসহ নানা কিছু নিয়ে যান।

 

বিয়েতে মিথিলা আড়ংয়ের লাল জামদানি শাড়িতে সেজেছিলেন। কপালে ছিল ছোট টিপ। কানে-গলায় মানানসই গয়না। সৃজিত পরেছিলেন লাল জহর কোট এবং কালো পাঞ্জাবি।

২০০৬ সালের ৩ আগস্ট মিথিলা ভালোবেসে বিয়ে করেন গায়ক ও অভিনেতা তাহসানকে। আইরা তেহরীম খান তাহসান-মিথিলা দম্পতির একমাত্র সন্তান। সোশ্যাল মিডিয়ায় আদর্শ কাপল হিসেবে পরিচিত তাহসান-মিথিলা জুটির বিচ্ছেদ ঘটে ২০১৭ সালে।

এরপর এক ঘনিষ্ঠ বন্ধুর অনুষ্ঠানে সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে মিথিলার পরিচয় হয়। সেখান থেকেই শুরু হয় ফেইসবুকে কথাবার্তা। এরপর বন্ধুত্ব। তারপর প্রেম। কলকাতার রাস্তায় একসঙ্গে ঘোরাঘুরি। তাদের এই প্রেম আর গোপন থাকেনি। গণমাধ্যমের খবরের শিরোনামে আসেন তারা। বারবার নিজেদের প্রেমের কথা অস্বীকার করে আসছিলেন। কিন্তু কলকাতা ও ঢাকায় তাদের ঘন ঘন যাতায়াত, একসঙ্গে অনুষ্ঠানে যাওয়া– সবকিছুই ভক্তদের সন্দেহকে তীব্র করে তুলেছিল। ঢাকার বেশ কিছু জায়গায়ও সৃজিত-মিথিলাকে একসঙ্গে দেখা গেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল তাদের একসঙ্গে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। কিন্তু তবুও মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন দুজনে। শুধু তাই নয়, সে সময় আরও কয়েকজনের সঙ্গে মিথিলার প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। এদিকে সৃজিতের সঙ্গে বিয়ের ঘোষণার পর তাদের প্রেমের বিষয়টিকে গুঞ্জন হিসেবে জাহির করার কারণ জানতে চাইলে মিথিলা জানান, ‘ব্যক্তিগত বিষয়কে ব্যক্তিগত হিসেবেই রাখতে চেয়েছিলেন তারা।’