ঈশ্বরদীতে ভাড়া নিয়ে বিবাদের জের ধরে চলন্ত বাস থেকে ফেলে সুমন হোসেন নামে এক যাত্রীকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় বাসের হেলপার ও সুপারভাইজরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত শনিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঈশ্বরদী শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন বাসের হেলপার কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদাহ গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে নাছিম (২০) ও সুপারভাইজর একই উপজেলার গোড়ারপাড়ার আনারুল ইসলামের ছেলে রোকনুজ্জামান রোকন (৩০)। এর আগে নিহত সুমনের স্ত্রী রুমা বেগম বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। নিহত সুমন ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের ঝাউতলা গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।
পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে সুমন মেহেরপুর থেকে সনি পরিবহনের একটি বাসে ঈশ্বরদী আসছিলেন। কিন্তু ভাড়া নিয়ে সুপারভাইজরের সঙ্গে সুমনের বাগ্বিত-া হয় এবং বাসের মধ্যেই সুমনকে ব্যাপক মারধর করে। রাত ৯টার দিকে বাসটি পাকশীর লালন শাহ সেতু পার হয়ে টোল প্লাজার কাছে এলে সুপারভাইজর চলন্ত বাস থেকে সুমনকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলে সুমন ওই বাসের নিচেই চাপা পড়ে মারা যান। ঈশ্বরদী থানার ওসি বাহাউদ্দিন ফারুকী জানান, চাঞ্চল্যকর ঘটনার পর ঈশ্বরদী থানায় মামলা হলেই আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযানে নামে পুলিশ।’