চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ভার্মি কম্পোস্ট প্ল্যান্ট। কেঁচো, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা, তরকারির খোসা, কচুরিপানা ইত্যাদি দিয়ে তৈরি ভার্মি সার প্রয়োগে জমির গুণগত মান ঠিক থাকে। পাওয়া যায় বিষমুক্ত ফলন।
জানা গেছে, মিরসরাইয়ে ভার্মি সার তৈরিতে সহযোগিতা করছে উন্নয়ন সংস্থা অপকা (অর্গানাইজেশন ফর দ্য পুওর কমিউনিটি অ্যাডভান্সমেন্ট)। উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের ৫০টি কৃষক পরিবারকে থাইল্যান্ডের ৫০০টি কেঁচো দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একটি সিমেন্টের গামলা ও টিন দেওয়া হয় অপকা থেকে। পরে কৃষকদের ভার্মি সার তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের ঘেরামারা গ্রামের কৃষক আবদুল হাই ও দক্ষিণ ছত্তরুয়ার বিবি হাজেরা জানান, একটি গামলায় ৫০ কেজি ভার্মি কম্পোস্ট সার তৈরি করা যায়। ৫০ কেজি সার উৎপাদন করতে সময় লাগে এক মাস। তারা আরো জানান, ভার্মি সার তৈরিতে তেমন খরচ পড়ে না। অপকা থেকে কেঁচো, গামলা, টিন ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। জমিতে ব্যবহার ছাড়াও প্রতি কেজি ভার্মি সার বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। ফলে কৃষক লাভবান হচ্ছেন। অপকার উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, রাসায়নিক সারের তুলনায় ভার্মি কম্পোস্ট সার প্রয়োগে ফলন ভালো হয়।
অপকার নির্বাহী পরিচালক মো. আলমগীর জানান, রাসায়নিক সার ব্যবহারে জমির উর্বরতা দিন দিন কমে যায়। কিন্তু ভার্মি কম্পোস্ট সার ব্যবহারে পাওয়া যায় বিষমুক্ত ফলন।