সওয়ারিদের পিঠে নিয়ে দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য সারিতে দাঁড়ানো ৪০টি ঘোড়া। সওয়ারিরা নিজ নিজ ঘোড়া নিয়ে প্রস্তুত, বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয় দৌড়। আর দৌড়ে ৩৯ ঘোড়সওয়ারিকে ছাড়িয়ে এগিয়ে গেল রংপুরের তারাগঞ্জের কিশোর মহসীন আলী।
বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই ঘোড়দৌড় অনুষ্ঠিত হয় নীলফামারী সদর উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের শাটিপাড়া গ্রামে। ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিযোগিতা উপভোগ করতে জমায়েত হয়েছিলেন প্রায় ৪০ হাজার দর্শক।
পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মহসিন আলী অল্প বয়সেই ঘোড়দৌড়ের কৌশল রপ্ত করে এ বয়সে অর্ধশত পুরস্কার ঘরে তুলেছেন। সে লেখাপড়া শিখে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়ে দেশ সেবায় আত্ম নিয়োগ করতে চায়।
মহসীন আলী বলেন, ‘ঘোড়দৌড়ের কথা শুনেছি আমার বাবা-দাদার কাছে। তারা দু’জনেই ছিলেন ঘোড়ার সওয়ারি। বাবা এখনো বিভিন্ন স্থানে ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করেন। সেখান থেকে আমার আগ্রহ জাগে ঘোড়দৌড়ে সওয়ারি হওয়ার। বাড়িতে ঘোড়া থাকায় লালন পালনের পাশাপাশি বাবার কাছে প্রশিক্ষণ নিয়েছি।
জেলা সদরের সোনারায় ইউনিয়নের আলোকিত জিগাতলা মোড় নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এই ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করে এবং পৃষ্ঠপোষকতা করেন সোনারায় ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মানিক ও স্থানীয় সমাজসেবক আব্দুর রাজ্জাক।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সোনারায় সংগলশী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল মজিদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুজার রহমান।