সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা লাশ

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সিংধা গ্রামে ও মোহনগঞ্জের সীমানায় তমালিকা (২০) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ শ্বশুর ও শাশুড়িকে আটক করে। তবে তার স্বামী রাসেল মিয়া পলাতক রয়েছে।

লাশ উদ্ধারের পর নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। পুলিশ জানায়, পারিবারিক কলহের জেরে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে সিংধা ইউনিয়নের সিংধা গ্রামে গৃহবধূ হত্যার ঘটনাটি ঘটেছে।

পুলিশ ও নিহত গৃহবধূর ভগ্নিপতি মো. হাবিবুর রহমান সূত্রে জানা যায়, প্রায় দেড় বছর আগে একই উপজেলার বাট্টাপাড়া গ্রামের রহিছ মিয়ার মেয়ের সঙ্গে চরসিংধা গ্রামের আবুল হাসিম ও মাজেদার ছেলে রাসেলের বিয়ে হয়। এর আগে রাসেলের সাবেক স্ত্রী তাকে তালাক দিয়েছিল। পরবর্তীতে আবার সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক হওয়ায় তমালিকার সঙ্গে শুরু হয় কলহ। এরই জেরে বিভিন্ন সময়ে তমালিকাকে মারধর করে আসছিল রাসেল। বুধবার রাতে পরিকল্পিতভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে সে। রাসেল ময়মনসিংহের ভালুকা এলাকায় একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি করে।

নিহত গৃহবধূ সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল বলে জানা যায়।

বারহাট্টা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে নিহতের শ্বশুর আবুল হাসিম ও শাশুড়ি মাজেদা আক্তারকে থানায় আনা হয়েছে। তাদের কথায় অসামঞ্জস্যতা পরিলক্ষিত হয়েছে এবং এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

অভিযুক্ত রাসেল মিয়াকে আটক করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানান ওসি।