সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে নিখোঁজের চার দিন পর এক শিশুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বাঁশতলা গ্রাম থেকে তোফাজ্জল হোসেন (৭) নামে ওই শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত বুধবার বিকেলে সে নিখোঁজ হয় বলে জানিয়েছে তার স্বজনরা।
ফরিদপুর শহরে নদীতে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত পরিচয়ের এক বৃদ্ধার (৬৫) মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শহরের চকবাজার শিবমন্দির এলাকার পেছনে কুমার নদ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
সুনামগঞ্জের ওই ঘটনায় পুলিশ জানায়, গত বুধবার বিকেলে মাঠে খেলতে গিয়ে আর বাড়িতে ফিরে আসেনি তোফাজ্জল। নিখোঁজের পর অপহরণ সন্দেহে পরদিন বৃহস্পতিবার তার স্বজনরা থানায় লিখিত অভিযোগ করে। শনিবার ভোরে তোফাজ্জলের বাড়ির পাশেই একটি সিমেন্টের বস্তা দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে বস্তার ভিতরে রাখা শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। শিশুটির মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং তার ডান চোখ তুলে নেওয়া হয়েছে।
শিশুটির মা রিয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, ‘একই গ্রামের কালা মিয়ার ছেলে সেজাউলের কাছে আমার ননদকে বিয়ে দিয়েছি। বিয়ের পর থেকে তাদের মধ্যে ঝগড়া-ঝাটি লেগেই থাকত। এ বিষয় নিয়ে কথা বলতে গেলে কালা মিয়া ও তার ছেলে আমাদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। পরে আমার শ্বশুর আদালতে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনায় তারা আমার ছেলেকে অপরহণ করে নিয়ে গিয়ে তাকে হত্যা করেছে।’
তাহিরপুর থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান জানান, শিশু অপহরণ ও হত্যাকা-ের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত রয়েছে সেটির তদন্ত চলছে। বিষয়টি রহস্যজনক। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কালা মিয়া ও তার ছেলে সেজাউল কবিরকে আটক করা হয়েছে।
ফরিদপুরে নদীতে ভাসমান লাশ : ফরিদপুর শহরে কুমার নদ থেকে ভাসমান অবস্থায় এক বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাৎক্ষণিকভাবে ওই বৃদ্ধার বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়ানি। তবে তার আনুমানিক বয়স ৬০/৬৫ হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার এসআই বেলাল হোসেন দেশ রূপান্তরকে জানান, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের জন্য মৃতের আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়েছে। এ ছাপ পুলিশের ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) মাধ্যমে পরীক্ষা করে তার পরিচয় শনাক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।