কল্পনা আক্তার, বয়স ত্রিশ। ঢাকার দোহার উপজেলার বটিয়া গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলী ওরফে শেখ ইয়ানুছের মেয়ে। মা, বাবা, পাঁচ ভাই, দুই বোনকে নিয়ে অভাবের সংসার। আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য আট বছর আগে পাড়ি জমান লেবাননে। ভালোই কাটছিল কল্পনার প্রবাস জীবন।
দেড় বছর আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মহন নামে এক ছেলেকে ভালোবেসে বিয়ে করে কল্পনা। লেবাননের সাঈদা জেলার শেরাফন এলাকায় বসবাস করতেন ওই দম্পতি। এরই মধ্যে কল্পনার গর্ভে আসে সন্তান। গত বছর নভেম্বর মাসে স্বামী ছুটিতে চলে আসেন দেশে। পরে ৫ ডিসেম্বর প্রসব বেদনায় সাঈদা জেলার সাইরান হাসপাতালে ভর্তি হন কল্পনা। পরের দিন কল্পনা একটি মৃত সন্তান জন্ম দেন। এরপর থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। ৭ ডিসেম্বর ভোর ৫টার দিকে তার মৃত্যু হয়। কল্পনার মরদেহ রাখা আছে হাসপাতালটির হিমঘরে। মৃত্যুর প্রায় দেড় মাস পার হলেও তার মরদেহ দেশে আনতে পারছে না পরিবার। লাশটি দেশে এনে প্রিয়জনেরা মুখটি শেষবারের মতো দেখার সুযোগ করে দিতে লেবানন-বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত ও সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে কল্পনার পরিবার। দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, লাশ দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সর্বোচ্চ সহযোগিতা করব।