এক ম্যাচে ৮১৮ রান। রীতিমতো রান উৎসব! কিন্তু যখন জানবেন ৪৮ ছক্কা ও ৭০ চারের ম্যাচটি বাংলাদেশের ঘরোয়া দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটের, তখন বিস্ময় না জাগিয়ে পারে না। বিশ্ব মিডিয়াতেও তাই সোমবারের এই ম্যাচের খবর উঠে এসেছে।
সিটি ক্লাব মাঠে রান উৎসবের ম্যাচটিতে নর্থ বেঙ্গল ক্রিকেট একাডেমি ৪৬ রানে জয় পেয়েছে। আগে ব্যাট করে যারা ৪ উইকেটে ৪৩২ রান যোগ করে স্কোর বোর্ডে। ৪৩৩ রানের লক্ষ্যে নেমে ট্যালেন্ট হান্ড ক্রিকেট একাডেমিও কম যায়নি। ৭ উইকেটে ৩৮৬ রানে থামে তারা।
নর্থ বেঙ্গলের খেলোয়াড়রা ২৭টি ছক্কা হাঁকিয়েছে। অন্যদিকে ২১ ছক্কা হাঁকায় ট্যালেন্ট হান্টের ক্রিকেটাররা।
নর্থ বেঙ্গলের শাওন ইসলাম ৩৩ বলে ১০ চার ও ৮ ছক্কায় খেলেন ৯২ রানের টর্নেডো ইনিংস। সেঞ্চুরিয়ান মাহফিল ইসলাম মিরাজ অবশ্য একটু ধীর খেলেছেন। তবে তার ১১৭ বলে করা ১১৬ রানের ইনিংসেও ছিল ১৩টি চার ও ৪ ছক্কা।
মোহাইমিনুল ইসলাম ১০৭ বলে ৫টি করে চার ও ছক্কায় খেলেন ৯৫ রানের ইনিংস। ইদ্রিস আলী ২৫ বলে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় করেন ৫৮ রান। আল জোবায়ের ১৯ বলে ২ চার ও ৫ ছক্কায় করেন ৪৫ রান।
ট্যালেন্ট হান্টের পক্ষে সেঞ্চুরি পেয়েছেন কাজি রিয়াজুল ইসলাম। ১০৪ বলে ৯ চার ও ৬ ছক্কায় অপরাজিত ১১২ রান করেন তিনি। ওপেনার রুশাদ হোসেন ২৩ বলে ৬৭ রান করেন ৭ চার ও ৬ ছক্কায়। আসিফ রিমন ২৪ বলে ৪৪ রান করেছেন ৬ ছক্কায়।
‘এটা খুবই অস্বাভাবিক। আমি অনেক বছর ধরে ঢাকার ঘরোয়া ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত। তবে এমনটা আমি কখনো দেখিনি।’- বলছিলেন সাইদ আলী আশাফ। যিনি একজন ক্রিকেট সংগঠক।
তবে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে অস্বাভাবিক ফল নিয়মিতই দেখা যায়। এমন কী ফিক্সিংয়ের অভিযোগও সাধারণ ঘটনা। ২০১৭ সালে দ্বিতীয় বিভাগ ক্রিকেটেই এক বোলার ওয়াইড ও নো বল মিলে এক ওভারে ৯২ রান খরচা করেছিলেন। পরে যিনি ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন।