গত বছর প্রথমবারের মতো এএফসি কাপের ইন্টার জোন প্লে-অফ সেমিফাইনালে খেলে ইতিহাস গড়েছিল আবাহনী। ২০১৯ সালে ফেডারেশন কাপ শিরোপা জয়ের সুবাদে সেবার সরাসরি গ্রুপপর্ব থেকে এএফসি কাপ মিশন শুরু করেছিল আকাশি-হলুদরা। এবার সেটি হচ্ছে না। প্রিমিয়ার লিগে রানার্সআপ হওয়ায় তাদের শুরু করতে হচ্ছে প্রিলিমিনারি রাউন্ড থেকে। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান মালদ্বীপ চ্যাম্পিয়ন মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাব। ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় দু’দল প্রথম লেগে মুখোমুখি হবে। মাজিয়া-বাধা পেরুতে এর মধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে মারিও লেমসের শিষ্যরা।
গতকাল কথা হলো এই পর্তুগিজ কোচের সঙ্গে। এতদিন পুর্ণাঙ্গ স্কোয়াড নিয়ে কাজ করতে পারেননি লেমস। দলের বেশ কজন ফুটবলার ব্যস্ত ছিলেন জাতীয় দলের হয়ে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের খেলা নিয়ে। পুরো দলকে তাই তিনি পেয়েছেন গত রবিবার থেকে। এর মধ্যে এখনো চোট কাটিয়ে উঠতে পারেননি সেন্টার-ব্যাক টুটুল হোসেন বাদশা। তবে সুখবর হলো, অসুস্থতার কারণে জাতীয় দলে খেলতে না পারা স্ট্রাইকার নাবিব নেওয়াজ জীবন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে চোট পাওয়া ফরোয়ার্ড সাদউদ্দিনকে নিয়েও তেমন চিন্তা নেই। তবে প্রথমেই শক্ত প্রতিপক্ষের সামনে পড়ে যাওয়ায় লেমসকে থাকতে হচ্ছে সতর্ক, ‘প্রথম ম্যাচটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে স্বস্তির বিষয় হচ্ছে ম্যাচটা আমরা খেলব নিজেদের মাঠে। আমরা এই ম্যাচটা কোনোভাবেই হারতে চাই না। শুরুটা করতে চাই জয় দিয়ে। আমি আত্মবিশ্বাসী, কারণ ছেলেরা সবাই ফিট আছে এবং খুব ভালো প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
মাজিয়া সম্পর্কেও ডাক-খোঁজ নেওয়া শুরু করে দিয়েছেন লেমস, ‘ওরা খুব ভালো দল। লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেছে ইতিমধ্যে। ওদের সুবিধা হচ্ছে এখনো ওরা খেলার মধ্যে আছে। আমি কিছু ভিডিও ফুটেজ দেখেছি ওদের। তারা অনেক গোছানো দল। তাদের বিদেশি গোলরক্ষক এবং দুজন সেন্টারব্যাক আছে। আরেকজন ফরোয়ার্ডে খেলে। রক্ষণাত্মক কৌশলে ওরা হয়তো শক্তিশালী। তবে আক্রমণে ওদের দুর্বলতা আছে। সেটাকেই কাজে লাগাতে হবে।’
মাজিয়া ঢাকায় পৌঁছাবে ২ ফেব্রুয়ারি। ৫ তারিখ প্রথম লেগের ম্যাচের পর ফিরতি ম্যাচটি ১২ ফেব্রুয়ারি মালেতে।