বাঁশখালীতে ছাত্র পেটানোর মামলায় জামিন চাইতে গেলে জেলে পাঠানো হয়েছে ইউপি সদস্য (মেম্বার) জামালউদ্দিনকে (৩৩)। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে বাঁশখালীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালতের হাকিম মাইনুল ইসলামের আদালতে তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।
জামালউদ্দিন বৈলছড়ি ইউনিয়নের তিন নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং নুরুল আমিনের ছেলে। তিনি একসময় উপজেলা তাঁতী লীগের সভাপতি ছিলেন। বর্তমানে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত জামালউদ্দিনকে জেলে পাঠানোর খবর পেয়ে বিকেলের দিকে বাঁশখালী প্রধান সড়কের বৈলছড়ি বাজারে সড়ক অবরোধ করে তার সমর্থকরা। পরে পুলিশ বৈলছড়ি বাজারে গেলে অবরোধকারীরা সরে যায়।
বাঁশখালী আদালতের জিআরও এএসআই মাসুম বিল্লাহ বলেন, গতকাল দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালতের হাকিম মাইনুল ইসলামের আদালতে জামিনের আবেদন করেন জামালউদ্দিন। আদালত তার আবেদন নামঞ্জুর করে জেলে পাঠায়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা পুলিশের এসআই নাজমুল হক বলেন, পুলিশ দেখে অবরোধকারীরা চলে যায়। এর পরই যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গত ১২ জানুয়ারি বৈলছড়ি নজমুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয়ের জেএসসি পাস করা মোহাম্মদ শাকিলকে হামলা চালিয়ে বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়। বিদ্যালয় মাঠেই হামলার ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় শাকিলের বড় ভাই শরাফত আলী বাদী হয়ে ইউপি সদস্য জামালউদ্দিনসহ ১৫ জনকে আসামি করে বাঁশখালী থানায় মামলা করেন। জামালের বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা থাকলেও সেগুলোতে তিনি জামিনে আছেন।