আসছে মার্চ মাসের শুরুর দিকে মিসরের রাজধানী কায়রোতে একটি সম্মেলন আয়োজনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।
এই সম্মেলনেই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের মধ্যে ঐতিহাসিক বৈঠক হতে পারে।
‘ইসরায়েল হায়োম’ পত্রিকার বরাত দিয়ে মিডলইস্টআই শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করেছে।
আরব কূটনীতিকরা ইসরায়েল হায়োম-কে বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও’র প্রায় এক বছরের মধ্যস্থতার পর যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং সৌদি আরবের মধ্যে ‘নিবিড় আলোচনা’ চলছে।
পত্রিকাটিকে একজন জ্যেষ্ঠ আরব কূটনীতিক বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব সামনের সপ্তাহগুলোতে কায়রোতে সম্মেলন আয়োজনে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওয়াশিংটন, ইসরায়েল, মিসর এবং সৌদি আরবের মধ্যে নিবিড় আলোচনা হয়েছে। এই সম্মেলন ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচনের আগেও হতে পারে।’
আগামী ৩ মার্চ ইসরায়েলের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোনো জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করতে না পারায় দেশটিতে এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এনিয়ে তৃতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
কূটনীতিকরা জানান, এই সম্মেলনে অন্য দেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুদান, বাহরাইন এবং ওমান অংশ নিতে পারে। জর্ডানও এ সম্মেলনের আমন্ত্রণ পেয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে অন্যান্য আরব দেশের সঙ্গে তারা কথা বলছে। ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসও এই সম্মেলনের আমন্ত্রণ পেতে পারেন।
প্রসঙ্গত, ‘জেরুজালেমকে ইসরায়েলের অবিভক্ত রাজধানী’ এবং জর্ডান ভ্যালি ও পশ্চিমতীরে ইসরায়েলি দখলদারিত্বকে যুক্তরাষ্ট্র বৈধতা দিয়ে সম্প্রতি ‘শতাব্দীর সেরা চুক্তি’ হিসেবে পরিচিত মধ্যপ্রাচ্য শান্তি পরিকল্পনা ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ফিলিস্তিন এই শান্তি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের সঙ্গে সব সম্পর্ক ছিন্ন করার ঘোষণা দিয়েছে। ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-ওআইসি এবং আরব লীগ এই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করলেও এনিয়ে আলাদাভাবে কোনো কথা বলেনি সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব দেশগুলো।