করোনাভাইরাস মোকাবিলায় পদক্ষেপ গ্রহণে আইনি নোটিস

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস মোকাবিলায় একটি কেন্দ্রীয় এবং সারা দেশে প্রতিটি জেলায় মনিটরিং সেল স্থাপন, প্রতিটি বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও হাসপাতালে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্টদের আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছে। গতকাল রবিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হুমায়ুন কবির পল্লব স্বাস্থ্য সচিব, পররাষ্ট্র সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিমান সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য, আইসিডিডিআর-বির পরিচালক ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বরাবর এ নোটিস পাঠান।

আইনি নোটিসে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় পূর্বসতর্কতা ও প্রস্তুতি হিসেবে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল এবং প্রতিটি জেলায় মনিটরিং সেল শাখা স্থাপন করতে বলা হয়। এ ছাড়া এটি প্রতিরোধে দেশের প্রতিটি বিমানবন্দর, স্থলবন্দর, সমুদ্রবন্দর, হাসপাতালে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়াও ভাইরাস প্রতিরোধে জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণ মাস্ক এবং অন্যান্য সামগ্রীর ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে নোটিসে।

পাশাপাশি এ রোগে কেউ আক্রান্ত হলে তার চিকিৎসাসংক্রান্ত যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। ভাইরাসটি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নোটিসদাতা আইনজীবীকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হবে বলে জানান নোটিসকারী ব্যারিস্টার হুমায়ুন কবির পল্লব।

তিনি বলেন, প্রাণঘাতী এই ভাইরাস মোকাবিলায় এখন পর্যন্ত সরকারি যে পদক্ষেপ তা সন্তোষজনক নয়। এ নিয়ে জনমনে আতঙ্ক রয়েছে। অনেকেই জানেন না যে এ রোগটি কীভাবে ছড়ায়। বাংলাদেশে এ রোগ ছড়ালে ঘনবসতির কারণে ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে। তাই যথাযথ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে এ নোটিস পাঠানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি চীনের উহান প্রদেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটে। ইতিমধ্যে চীনে এতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত আটশর বেশি মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। আক্রান্ত হয়েছে ৩৫ হাজারের বেশি। তবে এখন পর্যন্ত চীন থেকে আসা কোনো বাংলাদেশির দেহে এর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।