করোনাভাইরাস পরীক্ষার নির্দেশ

সীতাকুণ্ডে জাহাজে আটকা ১৭ চীনা নাবিক

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পুরনো জাহাজ ভাঙার কারখানায় আমদানি করা একটি জাহাজে আটকা পড়েছেন ১৭ চীনা নাবিক। গত শনিবার উপকূলে ভেড়ার পর থেকেই তারা জাহাজে রয়েছেন।

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আতঙ্কে শিপইয়ার্ড মালিক ও আমদানিকারক এজেন্টরা নিচে নামানোর ঝুঁকি নিতে না চাওয়ায় এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে কর্র্তৃপক্ষের দাবি, আইনি জটিলতার কারণে তারা জাহাজে অবস্থান করছেন।

এদিকে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিল্টন রায় গতকাল সোমবার বিকেলে চীনা নাবিকদের যত দ্রুত সম্ভব চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতালে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর জন্য শিপইয়ার্ড কর্র্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, চীনের একটি সমুদ্রবন্দর থেকে জাপানের পতাকাবাহী ৯ হাজার টন ওজনের ইউনি হারভেস্ট কার্গো নামে পুরনো জাহাজ গত শনিবার সীতাকুণ্ডের কদমরসুল এলাকায় হাজি মো. লিয়াকত আলীর মালিকানাধীন লালবেগ শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে ভেড়ে।

এতে চীনাদের সঙ্গে অন্যান্য দেশের নাবিকও ছিলেন। তারা শনিবার বিকেলেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় জাহাজ থেকে নেমে চলে যান। কিন্তু করোনাভাইরাস আতঙ্কে চীনা নাবিকদের জাহাজেই অবস্থান করতে বলে শিপইয়ার্ড মালিক ও আমদানিকারক এজেন্ট। সেই থেকে তারা সেখানেই রয়েছেন।

এ বিষয়ে জাহাজ আমদানিকারক (এজেন্ট) প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পুরনো জাহাজ সৈকতে আসার পর বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে নাবিকদের নিজ দেশে পাঠানো হয়। বন্দর কর্র্তৃপক্ষ চীনা নাবিকদের ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করলে তারা দেশে যেতে পারবেন।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনো ইউএনওর নির্দেশনা হাতে পাইনি। এটি পেলে স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে।’