বরগুনার আলোচিত শাহনেওয়াজ রিফাত (রিফাত শরীফ) হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম গাজী, সিআইডির আইটি শাখার রাসায়নিক পরীক্ষক রবিউল ইসলাম ও রাজু মিয়া
নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী।
গতকাল রবিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বরগুনা জেলা দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামানের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। তাদের মধ্যে রাত হয়ে যাওয়ায় সিরাজুল ইসলাম গাজীর সাক্ষ্য চলমান রাখা হয়।
এদিন সকালে প্রথমে সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী রাজু মিয়া। এরপর ঢাকা থেকে আসা রাসায়নিক পরীক্ষক রবিউল ইসলাম সাক্ষ্য দেন। বিকেল ৩টার দিকে বরগুনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম গাজী ৮ আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দির বর্ণনা তুলে ধরেন। শেষ না হওয়ায় আজ সোমবার তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে।
সাক্ষ্য দেওয়ার পর তাদের জেরা করেন ঢাকা থেকে আসা আসামিপক্ষের আইনজীবী এ কিউ এম ফারুক ও বরগুনা জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারি আসলাম। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ভুবন চন্দ্র হাওলাদার ও বাদীর নিয়োজিত আইনজীবী মজিবুল হক কিসলু উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ উপলক্ষে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির আটজনকে আদালতে হাজির করা হয়। আর জামিনে থাকা আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিও (নিহতের স্ত্রী) আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে নয়ন ও তার সহযোগীরা প্রকাশ্যে কুপিয়ে রিফাত শরীফকে (২৫) গুরুতর জখম করে। পরে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।