বরগুনায় স্ত্রী হত্যার অভিযোগে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার গৃহবধূ হামিদা বেগমকে (৪৫) হত্যার অভিযোগে স্বামী বাচ্চুকে (৫৮) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বরগুনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

বুধবার বরগুনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ এইচ এম ইসমাইল হোসেন এ রায় দেন। এ সময় আসামি বাচ্চু আদালতের উপস্থিত ছিলেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে ২০০৮ সালের ২৭ আগস্ট রাতে স্ত্রী হামিদাকে মাথায় আঘাত করে হত্যার পর বাড়ির খাল পাড়ে লাশ মাটি চাপা দিয়ে রাখেন স্বামী বাচ্চু।

পরের দিন স্ত্রীর বাবার বাড়ি গিয়ে জানান হামিদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বাচ্চুর কথা ও আচরণে গ্রামবাসীর সন্দেহ হয়।

২০০৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রামবাসী বাচ্চুকে আটক করে চাপ দিলে তিনি হত্যার সত্যতা স্বীকার করেন। গ্রামবাসী ওই দিনই বাচ্চুকে পুলিশে সোপর্দ করে।

এ ঘটনায় হামিদারর মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ ১১ বছর পর আদালত এ মামলায় বাচ্চুকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

বাচ্চুর বিরুদ্ধে পিরোজপুর আদালতে আরও একটি হত্যা মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

মামলাটি রাষ্ট্র পক্ষে পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি আক্তারুজ্জামান বাহাদুর আর আসামি পক্ষে অ্যাডভোকেট কমল কান্তি দাস।

অতিরিক্ত পিপি আক্তারুজ্জামান বাহাদুর বলেন, হামিদা হত্যা মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়ে আদালত ন্যায়ের পক্ষে রায় দিয়েছেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবী কমল কান্তি দাস বলেন, আমি আমার মক্কেলের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।