পাকিস্তান থেকে যে শিক্ষা নিয়ে ফিরেছেন সাইফ

পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টটা ভালো যায়নি সাইফ হাসানের। অভিষেক ম্যাচটিতেই প্রথম ইনিংসে শূন্য রানে আউট হন। দ্বিতীয় ইনিংসে পারেননি ১৬ রানের বেশি করতে। তবে শনিবার শুরু হতে যাওয়া জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে ভালো করতে মুখিয়ে তিনি। এ ক্ষেত্রে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের শিক্ষাই কাজে লাগাতে চান ২১ বছর বয়সী তারকা।

স্বপ্নের তরকা তামিম ইকবালের সঙ্গে ওপেন করলেও আদতে সাইফের অভিষেকটা হয় ভুলে যাওয়ার মতো। বাংলাদেশের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেকেই গড়েন ডাক মারার লজ্জার রেকর্ড। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট যে সহজ না বিষয়টি তাই বলতে দ্বিধা নেই সাইফের।

বৃহস্পতিবার অনুশীলনের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে যেমন বললেন, ‘অবশ্যই জানতাম এতটা সহজ হবে না। আমরা যেভাবে ঘরোয়া লিগে খেলি তার চেয়ে জাতীয় পর্যায় তো অবশ্যই কঠিন হবে। এর জন্য আমাকে আরো মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হবে।’

তাই বলে সাইফ আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছেন না, ‘এই পর্যায়ে আশার জন্যই তো এত চেষ্টা। আশা করি এই টেস্টে সুযোগ পেলে ভালো কিছু করতে পারব। বড় ইনিংস খেলার চেষ্টা করব।’

রাওয়ালপিন্ডি টেস্টর দুই ইনিংসকে সাইফ বিশ্লেষণ করলেন এভাবে, ‘পাকিস্তানের বিপক্ষের প্রথম ইনিংসে নার্ভাস ছিলাম। কিন্তু সবাই খুব উৎসাহ দিয়েছে। যার কারণে দ্বিতীয় ইনিংসে খুব একটা সমস্যা হয়নি। দ্বিতীয় ইনিংসে ভালো খেলছিলাম। বল ব্যাটে আসছিল। ব্যাটিং করেও বেশ ভালো লাগছিল। কিন্তু একটা বল নিচু হয়ে আসায় আউট হয়ে যাই।’

সাইফের তাই উপলব্ধি, ‘আমার মনে হয় ওই সময়ে আমাকে আরো ফোকাস থাকা উচিত ছিল। ফোকাস থাকলে হয়তো আউট হতাম না। শিক্ষাটা হল প্রতি ইনিংসেই আরো বেশি ফোকাস থাকতে হবে।’

তামিম ইকবালের সঙ্গে ওপেন করার স্বপ্ন এরই মধ্যে পূরণ হয়েছে। এবার এই সুযোগটা ধরে রাখতে চান সাইফ, ‘ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল তামিম ভাইয়ের সঙ্গে ওপেন করার। সেই স্বপ্নটা পূরণ হয়েছে। এখন চেষ্টা থাকবে যতটা সম্ভব ওনার সঙ্গে জুটিটা লম্বা করার।’

সাইফ যোগ করেন, ‘ভালো খেললে অবশ্যই সেই সুযোগ পাব। আর ওপেনে জায়গা করে নেয়ার জন্য বাড়তি কোন চাপ নিচ্ছি না। কারণ এটা ঠিক যে ভালো না করলে যে কোন দল থেকেই আপনাকে বসে যেতে হবে। পারফরম্যান্সটাই ম্যাটার করে। তাই বাড়তি চাপ নিচ্ছি না।’

দলের পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলাটাই তাই লক্ষ্য সাইফের।