অ্যাস্টন অ্যাগারেই কাবু দক্ষিণ আফ্রিকা। ঘরের মাঠে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পাত্তাই পেল না কুইন্টন ডি ককের দল। সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটের এই ক্রিকেটে নিজেদের ইতিহাসে বড় হারের লজ্জায় পুড়েছে তারা!
জোহান্সবার্গে রোববার রাতে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অজিদের কাছে ১০৭ রানে হার মানে দক্ষিণ আফ্রিকা। জয়ের জন্য ১৯৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮৯ রানে গুঁড়িয়ে যায় দলটি।
স্বাগতিকদের একাই ধসিয়ে দেন অ্যাগার। চার ওভার বোলিং করে মাত্র ২৪ রান খরচায় হ্যাটট্রিকসহ পাঁচটি উইকেট নেন এই স্পিনার। টি-টোয়েন্টিতে এটাই তার সেরা ক্যারিয়ার সেরা বোলিং!
ইনিংসের অষ্টম ওভারে বোলিংয়ে চতুর্থ বলে ডু প্লেসিকে আউট করেন অ্যাগার। পরের দুই বলে আন্দিলে ফেলুকওয়ায়ো ও ডেল স্টেইনকে উইকেট ছাড়া করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন বাঁহাতি এই স্পিনার। তার অপর দুই শিকার ফিটে ফন বিলজন ও লুঙ্গি এনগিদি।
দ্বিতীয় অস্ট্রেলিয়ান বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করলেন অ্যাগার। এর আগে সাবেক পেসার ব্রেট লি প্রথম অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে এ কৃতিত্ব দেখান।
নিজের এমন বোলিং নৈপুণ্যের পর ভারতের রবীন্দ্র জাদেজার পরামর্শের কথা স্মরণ করেলেন অ্যাগার, “ভারত সিরিজের পর জাদেজার সঙ্গে বেশ ভালো একটা আলোচনা হয়েছে। আমার সবচেয়ে পছন্দের খেলোয়াড় তিনি। আমি তার মতো করেই ক্রিকেট খেলতে চাই। সে একজন রকস্টার। বল পেটাচ্ছে, আগ্রাসী ফিল্ডার এবং বল ঘোরায়। তবে মাঠে তাঁর উপস্থিতিটাই বেশি চোখে লাগে। তাঁর আত্মবিশ্বাস! তাঁর সঙ্গে স্পিন নিয়ে কথা বলা, বল ঘোরানোর চেষ্টা করা। যখন ব্যাট করেন তখনো ইতিবাচক থাকেন এবং ফিল্ডিংয়েও সে মানসিকতা নিয়েই নামেন।”
এর আগে ব্যাটিংয়েও দ্যুতি ছড়ান অ্যাগার। নয় বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ২০ রান করে দলের ১৯৬ রানের সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান সাতে নামা এই ব্যাটার।
অতিথি দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৫ রান করেন স্টিভেন স্মিথ। অন্যদের মধ্যে ৪২ রান করেন অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ, ২৭ রান আসে অ্যালেক্স কারের ব্যাট থেকে।
অনুমিতভাবেই ম্যাচ সেরা হন অ্যাগার।
এই জয়ে তিন ম্যাচের এই সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল অস্ট্রেলিয়া। সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচ রোববার ক্যাপটাউনে।