বখাটের উৎপাতে ছাত্রীর স্কুলে যাওয়া বন্ধ

বখাটের উৎপাতে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার নবম শ্রেণির এক ছাত্রী বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। গত বছর মাত্র তিন মাস ক্লাস করতে পেরেছে ওই ছাত্রী। ওই বখাটে গেল দুই মাসে দুবার তালা ভেঙে মেয়েটির ঘরে ঢোকার চেষ্টা করায় পরিবারটি সাটুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

সাটুরিয়া উপজেলার দরগ্রাম ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ওই ছাত্রীর বাড়ি দরগ্রাম ইউনিয়নে। প্রতিবেশী লিটন (১৮) প্রায় এক বছর ধরে মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে তাকে বিরক্ত করে আসছে। লিটনের ভয়ে সে গেল বছর মাত্র তিন মাস ক্লাস করেছে। পরে গ্রামবাসী বসে লিটনকে সতর্ক করে। গত বৃহস্পতিবার রাতে তালা ভেঙে ঘরে ঢোকার চেষ্টা করে লিটন। ছাত্রীর পরিবারের লোকজন চিৎকার করলে সে পালিয়ে যায়।

এসব ঘটনায় মেয়েটির মা গত শুক্রবার সাটুরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

মেয়েটির মা বলেন, ‘আমার মেয়েকে পাশের বাড়ির লিটন রাস্তাঘাটে উত্ত্যক্ত করত। আমার স্বামী ৯ বছর ধরে বিদেশে থাকে। আমি এক ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে থাকি। এভাবে উত্ত্যক্ত কারায় আমার মেয়ে মাদ্রাসায় যেতে পারছে না।’

ছাত্রীর বড় ভাই বলেন, ‘আমাদের কী অপরাধ? আমার বোন কি মাদ্রাসায় যেতে পারবে না?

ওই ছাত্রী বলে, ‘আমি মাদ্রাসা কিংবা বাড়ির বাইরে গেলেও লিটন আমার পিছু নেয়। সারা পথে বিভিন্ন কটু কথা বলে। ভয় দেখায়। আমি পড়ালেখা করতে চাই, নিয়মিত মাদ্রাসায় যেতে চাই।’

গতকাল শনিবার দুপুরে লিটনের বাড়িতে গেলে তার বড় ভাই সহিদুল বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ ও উত্ত্যক্ত করার বিষয়টি জানা নেই। সাটুরিয়া থানার এসআই মো. আনিস বলেন, তদন্ত করে দোষী প্রমাণিত হলে আসামি লিটনকে আইনের আওতায় আনা হবে।