‘মামলাবাজ চক্রের ফাঁদ : ২০০ কোটি টাকার রাজস্ব গায়েব’ শিরোনামে গত ২৫ জানুয়ারি দেশ রূপান্তর-এর শেষ পাতায় কুষ্টিয়ার ২১ বালুমহালের প্রতিবেদন ছাপা হওয়ার পর কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন বড়সড় অভিযান চালিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার অভিযান চালানোর পর গতকাল শনিবার জেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেয় জব্দকৃত মালামাল রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হবে।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার গড়াই সড়ক ও রেলসেতুর নিচ থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান চালায়। জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু রাসেলের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবু রাসেল বলেন, একটি মামলাবাজ চক্রের সৃষ্ট আইনি জটিলতা জিইয়ে রেখে দীর্ঘদিন ধরে চলছিল অবৈধভাবে বালু উত্তোলন। ঘটনাস্থল থেকে ফেলুটার, ড্রাম ট্রাক, মিনিট্রাক ও ট্রলিসহ বালু উত্তোলনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করা হয় কুমারখালী উপজেলার লাহিনী গ্রামের আবু বক্করের ছেলে সুমন (৩৮) এবং ফারুককে (৩৫)।