সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা

বুয়েট-চবির পর ঢাবি ও রাবির না

বুয়েট ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পর এবার কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতিতে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি)। গতকাল সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় দুটি তাদের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়। এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) এ প্রক্রিয়ায় আসছে কি না, তা এখনো জানায়নি। তবে যারা থাকবে, তাদের নিয়ে সমন্বিতভাবে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ।

এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এ পদ্ধতিতে অংশ নিচ্ছে না বলে জানিয়েছিল।

গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সিনেট ভবনে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভা হয়। সভায় উপস্থিত একাধিক সদস্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে সদস্যরা কেউ নতুন পদ্ধতিতে যেতে রাজি হননি। তারা আরও জানান, সভায় ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনা, গুণমান, স্বচ্ছতা ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঝুঁকিসহ সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে কণ্ঠভোটে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত পাস হয়।

অন্যদিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘সমন্বিত বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্যরা রাজি হননি। ফলে আমরা চলমান নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করব।’

এ বিষয়ে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ গতকাল দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘তারা না এলেও, যারা থাকবে তাদের নিয়ে সমন্বিতভাবে ভর্তি পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।’