ব্যাংক ও আর্থিক খাতে দুর্নীতির প্রতিবাদে বাংলাদেশ ব্যাংকের অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ বাধা দিয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে জড়ো হয়ে মিছিল নিয়ে গেলে দৈনিক বাংলা মোড়ে পুলিশি বাধার মুখে পড়ে নেতাকর্মীরা। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে বাম গণতান্ত্রিক জোটের প্রধান সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজের নেতৃত্বে জোটের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ ব্যাংকে গিয়ে ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি তুলে দেন।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বাম জোটের নেতারা বলেন, ‘ব্যাংক লুটকারী ও ভোট লুটকারীরা আজ একাকার হয়ে গেছে। সরকারের গণবিরোধী আর্থিক নীতির কারণেই দেশের ব্যাংকিং খাত আজ ধ্বংসের পথে। সাম্রাজ্যবাদের কাছে দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে সরকার জনগণের অর্থ লুট করে নিচ্ছে।’
বক্তারা বলেন, বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা। ঋণখেলাপিদের সিআইপি ও ভিআইপি মর্যাদা পাচ্ছেন আর অন্যদিকে দেশের ১২ হাজার কৃষক সামান্য ঋণের বোঝা নিয়ে আসামি হচ্ছে।
সমাবেশে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ব্যাংকিং ও আর্থিক খাতে একের পর এক অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের ঘটনা ঘটছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের টাকা লুট করে জুয়ার বাজারে বিনিয়োগ করা হচ্ছে। আজ পর্যন্ত এই লুটকারীদের কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বাংলাদেশে আজ ব্যাংক লুটকারী ও ভোট লুটকারীরা একাকার হয়ে গেছে।
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের প্রধান সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ, বাম নেতা সিপিবির সাধারণ সম্পাদক কমরেড শাহ আলম, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকী ও বাম দলের নেতারা।