সহকারী ইউএসটিআর ক্রিস্টোফার উইলসন বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্থগিত করা জিএসপি সুবিধা পুনর্বহাল নিয়ে আগামীকাল শুরু হতে যাওয়া টিকফার বৈঠকে আলোচনা হবে। এ বিষয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে।
গতকাল সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। এজন্য বাংলাদেশের কাস্টমস প্রক্রিয়া, ট্যাক্স, ই-কমার্স ইত্যাদি বিষয় আরও সহজ হওয়া প্রয়োজন। অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেও যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারেন। প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর হলে বাণিজ্য সহজ হবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বেশ চাহিদা রয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের তুলা বাংলাদেশে রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে।
টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে কাস্টমস প্রক্রিয়া ও ট্যাক্স সহজ এবং ব্যবসাবান্ধব বাণিজ্য নীতি চায় যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের কারখানাগুলো ইতিমধ্যে কমপ্লায়েন্স হয়েছে। শ্রম আইন সংশোধন করে সময়োপযোগী করা হয়েছে। আমদানি-রপ্তানির সুবিধার জন্য বন্দরগুলো উন্নত করা হয়েছে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে উভয় দেশের স্বার্থ সংরক্ষণ করে বৃহস্পতিবার টিকফা বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. জাফর উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) মো. ওবায়দুল আজম, অতিরিক্ত সচিব ও ডব্লিউটিওর মহাপরিচালক মো. কামাল উদ্দিন, ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড কমার্শিয়াল কাউন্সিলর ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেন, ডেপুটি ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভ ফর সাউথ অ্যান্ড সেন্ট্রাল এশিয়া জেবা রিয়াজউদ্দিন, ভারতে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের বাণিজ্য বিভাগের ভারপ্রাপ্ত ডেপুটি সিনিয়র কমার্শিয়াল অফিসার গ্রিজোরি টেভস উপস্থিত ছিলেন।