খুব অল্প সময়ের জন্য ইংল্যান্ডে গিয়ে পরশু ফিরেছেন জাতীয় দলের কোচ জেমি ডে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ দেখতে ঘুরে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন জেলা। মূলত ২৬ মার্চ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের জন্যই তিনি দেখে নিচ্ছেন শিষ্যদের অবস্থা। দু’একজন নতুনের সন্ধানেও রয়েছেন তিনি। বিপিএল জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পারফরমেন্স নিয়ে তার প্রতিক্রিয়াটা মিশ্র। চোট বেশ ক’জনকেই নিয়মিত লিগে খেলতে দিচ্ছে না। তাছাড়া আক্রমণভাগে ভিনদেশিদের উপস্থিতির কারণে জাতীয় দলের ফরোয়ার্ডদের খেলার সুযোগ কম। এসব কিছু বিবেচনা করেই তিনি গড়বেন সিলেটে হতে যাওয়া সেই ম্যাচের স্কোয়াড।
বসুন্ধরা কিংস উইঙ্গার মোহাম্মদ ইব্রাহিমের খেলা মনে ধরেছে জেমির, ‘ইব্রাহিম দারুণ খেলছে। গোল করেছে, করাচ্ছেও, যা জাতীয় দলের জন্য বড় পাওয়া। নাবিব নেওয়াজ জীবনও গোল করেছে। তবে চোট মতিন মিয়াকে মাঠের বাইরে রেখেছে। বিপলু আহমেদ চোট ছিল, কিন্তু ও সেরে উঠছে। জামালের চোটটা একটা দুশ্চিন্তা। আর রবিউল হাসান ও মাহবুবুর রহমান সুফিল খেলারই সেভাবে সুযোগ পাচ্ছে না। সুশান্তরও চোট আছে। আমাদের আসলে যা থাকবে তাই নিয়ে এগুতে হবে। যদি খেলোয়াড়রা নিয়মিত খেলার সুযোগ না পায় তবে তাদের দলে নেওয়া কঠিন। এগুলো নিয়ে আমাদের কাজ করতে হবে।’ তবে এখনই দলে বড় কোনো পরিবর্তনের পক্ষে নন কোচ, ‘এ মুহূর্তে আমি খুব বেশি পরিবর্তন আনব না দলে কারণ গত ১৮ মাসে এই স্কোয়াডটা ভালো ফুটবল খেলেছে। দলের প্রয়োজনে হয়তো দু’তিনটা পরিবর্তন আসতে পারে, তবে বড় পরিবর্তন আসবে না।’
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া নিয়ে খোদ ফিফাই চিন্তিত। তারা বিশ্বকাপ বাছাই নিয়েও বিকল্প ভাবা শুরু করেছে। এ অবস্থায় ২৬ মার্চ ম্যাচটি হওয়া নিয়েও রয়েছে সংশয়। জেমিও মনে করেন ফিফা সবার নিরাপত্তার কথা ভেবেই সিদ্ধান্ত নেবে, ‘গোটা বিশ্বজুড়েই করোনাভাইরাস একটা মাথাব্যথা। খেলার আগে খেলোয়াড় এবং জনগণের নিরাপত্তা সবার ওপরে। ফিফা হয়তো এ সপ্তাহেই বাছাই নিয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে। যদি ফিফা মনে করে এখন খেলা ঠিক হবে না, আমরাও তখন খেলব না। সেক্ষেত্রে আমরা দেখব ম্যাচটা কবে হয়।’