জিম্বাবুয়েকে ‘ক্লিন সুইপ’ করতে নামছে বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চলতি হোম সিরিজে বাংলাদেশের অবস্থা জয়জয়কার। শুরুতেই একমাত্র টেস্টে ইনিংসে জয়। এরপর তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ করার আনন্দ। আত্মবিশ্বাসী সূচনা টি-টোয়েন্টি সিরিজেও। প্রতিপক্ষটিকে ‘ক্লিন সুইপ’ করার লক্ষ্য নিয়ে এই সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে লাল-সবুজ দল।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় ম্যাচটিতে মুখোমুখি হবে দল দুটি। একই ভেন্যুতে প্রথম টি-টোয়েন্টি ৪৮ রানে জিতে সিরিজে এরই মধ্যে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ।

ম্যাচটির আগে দারুণ এক অর্জনের সামনে দাঁড়িয়ে টাইগাররা। আজকের লড়াইয়ে জিতলে প্রথমবারের মতো কোনো দলের বিপক্ষে এক দফায় তিন সংস্করণেই সিরিজ জিতবে বাংলাদেশ। পাশাপাশি, এক সিরিজে তিন সংস্করণ মিলিয়ে সব ম্যাচে জয়ও ধরা দেবে প্রথমবার।

চলতি সিরিজের শুরুতেই মিরপুরে একমাত্র টেস্টে জিম্বাবুয়েকে ইনিংস ও ১০৬ রানে হারায় বাংলাদেশ। এরপর সিলেটে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে অতিথিদের হোয়াইটওয়াশ করে তারা।

মিরপুরে ফিরে টি-টোয়েন্টি সিরিজে শুভ সূচনা করে টাইগাররা। তামিম, মুশফিক, সৌম্যদের সামনে জিম্বাবুয়ে যেন গলির ক্রিকেট দল! তাই সিরিজের শেষ ম্যাচেও ছন্দ ধরে রাখতে চায় বাংলাদেশ।

এক দলের বিপক্ষে তিন সংস্করণেই জয়ের সবশেষ সুযোগ বাংলাদেশের সামনে এসেছিল ২০১৮ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে টেস্টে হোয়াইটওয়াশ করার পর ওয়ানডে সিরিজে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিবিয়ানরা জিতে যায় ২-১ ব্যবধানে।

২০১৪ সালে জিম্বাবুয়েকে টেস্টে ৩-০ ব্যবধানে হারানোর পর ওয়ানডেতে ৫-০ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সেবার ছিল না টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

অসাধারণ ছন্দে থাকলেও সিরিজের দাঁড়ি টানা ম্যাচ নিয়ে বাংলাদেশ বেশ সতর্ক বলে জানিয়েছেন তরুণ অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান, “টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোনো সময় মোমেন্টাম বদলে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে শেষ খেলাটায় আমরা আরও বেশি সতর্ক ও মনযোগী। ইনশাল্লাহ সেটাই করব।”

এই সিরিজ থেকে পাওয়া আত্মবিশ্বাস পাকিস্তান সফরের জন্য কাজে দেবে বলে মনে করেন মেহেদি, “এই সিরিজটা পুরোপুরি হয়ে গেলে আমাদের আত্মবিশ্বাস আরও বেড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে আমাদের আত্মবিশ্বাসটা পাকিস্তানে কাজে লাগবে, যেহেতু ওখানে আমাদের একটা ওয়ানডে ও টেস্ট আছে। আশা করি, আত্মবিশ্বাস কাজে দিবে।”