কাজলের মেয়ের ছবি ভাইরাল
সম্প্রতি মেয়ে নায়সার ফটোশুটের দুটি ছবি ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন কাজল। সেই ছবি এখন ভাইরাল। ভক্তদের মতে, মেয়ে নায়সা মিনিয়েচার কাজল। মেয়ের সঙ্গে কাজলের ছোট্টবেলার ছবির তুলনা করে অনেকেই সেই প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।
সুন্দর লেহেঙ্গায় নায়সার ফটোশুটের ছবি পোস্ট করার পাশাপাশি ইন্ডাস্ট্রিতে শুরু হয়েছে অন্য জল্পনা। বলিউডে পা রাখতে চলেছে কাজল-অজয় কন্যা। সেই প্রস্তুতিই চলছে দেবগন পরিবারে।
বলিউডে নামি তারকা কাজল ও অজয় দেবগন। বর্তমানে সিঙ্গাপুরে পড়াশোনা করছেন নায়সা। তবে পড়া শেষ করে বলিউডে পা রাখতে পারে বলে জানিয়েছিলেন বাবা অজয়। অবশ্য এখনই কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন কেউই। বলিউডে পা দেবেন না জীবনের অন্য স্রোতে গা ভাসাবেন, তা পুরোপুরি মেয়ের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন বাবা-মা।
সৃজিত-মিথিলার করোনা বিচ্ছেদ
করোনাভাইরাসের প্রভাব পড়েছে সৃজিত মুখার্জি ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার দাম্পত্য জীবনে। ভিসা স্থগিত করায় ভারতে যেতে পারছেন না ঢাকার অভিনেত্রী।
সোশ্যাল মিডিয়ায় তাই ‘বীরজারা’ ছবির কিছু গানের কলি আওড়েছেন মিথিলা। নিজের পোস্টে লিখেছেন, দীর্ঘদিন পর যখন সৃজিতের সঙ্গে দেখা করার কথা, তখন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা। গেয়ে ওঠেন ‘তেরে লিয়ে হাম হ্যায় জিয়ে হোঁট কো সিয়ে’।
এদিকে জিনিউজের এক সাক্ষাৎকারে মিথিলাকে ভারতীয় নাগরিকত্ব নেবেন কি না এ প্রশ্ন করা হয়। উত্তরে জানান, এইসব অনেক জটিল বিষয়। তাই এসব নিয়ে পরে ভাববেন, আপাতত ঠিকঠাক ভিসা পেলেই হবে। মিথিলার দেওয়া সাক্ষাৎকারটি বৃহস্পতিবারই প্রকাশিত হয়। আর এরই মাঝে করোনার কারণে ভারতে যাওয়ার সব ভিসা ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাতিল করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। সাক্ষাৎকারটিও মিথিলা নিজের পেজে শেয়ার করেছেন এবং মজা করে লেখেন, “শুধুমাত্র করোনাই এখন সিদ্ধান্ত নিতে পারে।”
নচিকেতার ‘নীলাঞ্জনা’ এবার বড় পর্দায়
নব্বই দশকে কলকাতার শিল্পী নচিকেতা চক্রবর্তীর গাওয়া বিখ্যাত গান ‘নীলাঞ্জনা’ নিয়ে সিনেমা তৈরি করছেন শ্রীমন্ত সেনগুপ্ত।
এনডিটিভি জানায়, ‘আবার বছর কুড়ি পরে’ নামে সিনেমাটিতে দেখা যাবে একদল বন্ধুর পুরনো স্কুলজীবন, কৈশোরের প্রেম এবং বর্তমান জীবনযাপনের চিত্র।
স্কুলজীবনের বন্ধু অরুণ, বনি, নীলাঞ্জনা, জয়ন্ত, পৃথ্বীশ। এক সময় শেষ তাদের স্কুলজীবন, টান পড়ে বন্ধুত্বেও। বিশ বছর পর কেমন বদলেছে তারা সেটিই দেখা যাবে শ্রীমন্তের সিনেমায়।
পড়াশোনা শেষে ব্যস্ত স্কুলের বন্ধুরা। আইটি দুনিয়ায় বেশ সুনাম অরুণের। বনি এখন বড় ডাক্তার। নীলা হয়েছে গৃহবধূ। স্বামী-সংসার-সন্তান নিয়ে ব্যস্ত। কলকাতা ছেড়ে সবাই এখন অন্য শহরে। একমাত্র জয়ন্তই পড়ে আছে। তার পরিকল্পনায় দুই দশক পর মুখোমুখি হয় পাঁচ বন্ধু।
বন্ধুদের আড্ডার হাত ধরে ফিরে আসে নব্বই দশকের কলকাতা, স্কুলের টুকরো স্মৃতি, প্রেম, বন্ধুত্ব।
সিনেমায় স্কুলের পোশাকে দেখা যাবে আর্য দাশগুপ্ত, পুষণ দাশগুপ্ত, দিব্যাশা দাস, তনিকা বসু, রাজর্ষি নাগ, অরিত্র দত্ত বণিককে। তারা সবাই ছোটপর্দা, ওয়েব সিরিজের বড় মুখ। সিনেমার গল্প ও চিত্রনাট্যে শ্রীমন্তের সঙ্গে কাজ করেছেন মোনালি সেন চৌধুরীও।