বসুন্ধরার বিপক্ষে অবিশ্বাস্য জয় চ. আবাহনীর

ম্যাচের ৬৩ মিনিট পর্যন্ত ০-৩ গোলে পিছিয়ে ছিল চট্টগ্রাম আবাহনী। সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লিগে অবিশ্বাস্য এক জয় তুলে নিয়েছে মারুফুল হকের দলটি। সেটিও তারকাবহুল বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে।

রবিবার নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়ামে বসুন্ধরাকে ৪-৩ গোলে হারায় চট্টগ্রাম আবাহনী।

এই জয়ে লিগ টেবিলে খানিক সময়ের জন্য শীর্ষেও উঠেছিল বন্দরনগরীর দলটি। পরে অবশ্য নিজেদের ম্যাচে মুক্তিযোদ্ধাকে হারিয়ে ঢাকা আবাহনী শীর্ষে উঠেছে।

চট্টগ্রাম আবাহনীর রূপকথার জয়ে জোড়া গোল করেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড নিক্সন রোচা। ৬৪ মিনিটে চার্লস দিদিয়ের ব্যবধান ৩-১ করার পর ৬৭ মিনিটে নিক্সন স্পটকিক থেকে ব্যবধান ৩-২ করেন। ৮৮ মিনিটে দলকে এনে দেন সমতা। এরপর একেবারে শেষ মুহূর্তে চিনেডু ম্যাথিউ গোল করে জয় এনে দেন দলকে।

অথচ বসুন্ধরা এই ম্যাচ হারবে কে ভেবেছিল? নিজেদের হোম ভেন্যুতে প্রথম গোল পেতে অবশ্য ৪৩ মিনিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল কোচ অস্কার ব্রুজনের দলকে। স্পট কিক থেকে দলের প্রথম গোলটি করেন তাজিকিস্তানের ফরোয়ার্ড আখতাম নাজারভ। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ব্যবধান ২-০ করেন বসুন্ধরার আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নিকোলাস দেলমন্তে।

বিরতির পর জাল খুঁজে নিয়েছিলেন দানিয়েল কলিন্দ্রেস। রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা কোস্টারিকান তারকার জাদুতে ৫৯ মিনিটে ৩-০ তে এগিয়ে যায় বসুন্ধরা।

এরপরই অবশ্য ভোজবাতির মতো বদলে জায় ম্যাচের রং। হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় গত সপ্তাহেই এএফসি কাপে মালদ্বীপের টিসি স্পোর্টসকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে দেওয়া বসুন্ধরাকে।

এই হারে টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে নেমে যেতে হয়েছে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের। ৬ ম্যাচে ৩ জয়, ২ ড্র ও ১ হারে ১০ পয়েন্ট তাদের। অন্যদিকে চট্টগ্রাম আবাহনী ৬ ম্যাচে ৪ জয় এবং ১টি করে ড্র ও হারে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে আছে দ্বিতীয় স্থানে।

সমান ১৩ পয়েন্ট নিয়ে আবাহনী শীর্ষে। যারা এদিন বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ৪-১ গোলে হারিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্রকে।