টেস্টে একজন ক্রিকেটারকে কী করতে হয়? প্রথমে মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে হয়। এরপর সবাইকে এক হতে হয় (একই লক্ষ্যে থাকা)। পরে ধৈর্য নিয়ে রক্ষণে নামতে হয়। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টেস্টের এই দিকগুলোর মিল খুঁজে পাচ্ছেন শচিন টেন্ডুলকার। টেস্টে তারা যেমন এই দিকগুলো মেনে চলেন তেমনি এই মুহূর্তে সবাইকে এই বিষয়গুলো মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের ব্যাটিং কিংবদন্তি।
ভারতের এক দৈনিকে নিজের মতামত জানাতে গিয়ে শচিন বলেন, ‘এখন করোনাভাইরাসের সঙ্গে পুরো বিশ্ব যুদ্ধ করছে। আমার মনে হয় এই সময়ে আমরা ক্রিকেটের সেরা ফরম্যাট থেকে শিক্ষা নিতে পারি। ক্রিকেটের পাঁচদিনের ফরম্যাটে আমরা যেসব পরিকল্পনা অনুসরণ করে জেতার চেষ্টা করি সেসব এখানে কাজে লাগতে পারে। টেস্ট ক্রিকেট আপনি যেটা বোঝেন না তাকে সম্মান জানানো কাজে দেয়। যেমন ধরুনÑ একজন ব্যাটসম্যান পিচ কেমন হবে, বোলার কেমন বল করবে, বল কেমন আচরণ করবে সেটা জানেন না। তখন তার জন্য সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র হয়ে দাঁড়ায় রক্ষণ বা প্রতিরোধব্যবস্থা। ব্যাটসম্যান হিসেবে যার রক্ষণ ভালো সে সবচেয়ে সফল। তেমনি এই অবস্থায় যার প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভালো সে সবচেয়ে নিরাপদ।’
৪৬ বছর বয়সী টেন্ডুলকার সড়ক নিরাপত্তার সচেতনতা বাড়াতে ভারতে টুর্নামেন্ট খেলছিলেন। যেটা আপাতত স্থগিত। ওই টুর্নামেন্টে কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের অনেকেই খেলছিলেন। ১৫ হাজার ৯২১ রান ও সেঞ্চুরির সেঞ্চুরি নিয়ে ২০১৩ সালে অবসরে যাওয়া শচিন জানান, ‘এই মুহূর্তে সব দেশকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। তেমনি ভাবে মানুষকেও এক হয়ে কাজ করতে হবে। টেস্ট আমাদের জন্য রূপক। ছোট ফরম্যাটে একজন ভালো খেললেই ম্যাচ জেতা যায়। কিন্তু টেস্টে সবাইকে ভালো খেলতে হয়। তেমনি এখন পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে এক হয়ে সুরক্ষায় নামতে হবে। টেস্টে যেমন দ্বিতীয় ইনিংস থাকে এবং তাতে ম্যাচে ফেরার সুযোগ তাকে। আমরা করোনাভাইরাস যুদ্ধে এখন দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করতে পারি। এখানে প্রতিরোধের মাধ্যমে আমরাই সফলতায় ফিরব।’ ইন্টারনেট।