করোনাভাইরাসের ভয়াল থাবায় আক্রান্ত পুরো বিশ্ব। সম্প্রতি বাংলাদেশেও ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। জনসাধারণকে অন্তত দুই সপ্তাহ খুব জরুরি কাজ ছাড়া বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। বিশেষ করে, ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি, শিশু ও গর্ভবতী নারী, হার্ট বা কিডনির সমস্যা আছে যাদের। প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, বিভিন্ন কারণে যাদের সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি। বাড়িতে কারও সংক্রমণ হয়েছে, প্রাদুর্ভাব ছড়ানো কোনো দেশ থেকে বিদেশফেরত, কভিড-১৯ সংক্রামিত রোগীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, যাতায়াত বা গল্প-গুজব করেছেন এমন ব্যক্তিদের অন্তত ১৪ দিন বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
যেভাবে ঘরে থাকবেন
পর্যাপ্ত আলো-বাতাসযুক্ত ঘরে থাকুন। প্রয়োজনে এসি চালান। এসি না চালালে ঘরের জানালা খুলে রাখুন, যেন বাতাসের কমতি না হয়।
সাধারণ নিয়মের পাশাপাশি হাই রিস্ক বিশেষ করে বয়স্ক রোগীদের জন্য সাবধানতা বেশি করে মেনে চলুন। শরীরে ভাইরাসের আশঙ্কা থাকলে মাস্ক ব্যবহার করুন।
বাড়িতে কেউ হাঁচি, কাশি ও সর্দিতে আক্রান্ত হলে তার থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন।
বাইরে থেকে না এনে চেষ্টা করুন ঘরেই খাবার রান্না করতে।
দুই সপ্তাহের বাজার করে ঘরে রাখুন। অতিরিক্ত বাজারের প্রয়োজন নেই। এতে অন্য একজন সংক্রামক ব্যক্তির খাদ্যে ঘাটতি পড়তে পারে।
বাড়িতে কেউ এলে অবশ্যই হাত-মুখ ধুয়ে ভেতরে প্রবেশ করান। তবে একসঙ্গে দুজনের বেশি অতিথি গ্রাহ্য নয়।
সকালে ঘুম থেকে উঠে হালকা ব্যায়াম বা মেডিটেশন করুন।
ফোনে প্রিয় কারও সঙ্গে গল্প করতে পারেন। তবে সব আলোচনা যেন করোনা-সংক্রান্ত না হয়। এতে দুশ্চিন্তা বাড়বে।
যেহেতু শুধু বাড়িতে থাকছেন, তাই চিকিৎসার কোনো বিষয় নেই। নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে।