ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় শ্রম অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ জুয়েল চৌধুরী সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার সময় পৌরসভার তারাগন-নারায়ণপুর ব্রিজের কাছে অন্য আরেকটি মোটরসাইকেল এর সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় আহত অন্য মোটরসাইকেলের তিন যাত্রী কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর প্রত্যক্ষদর্শীরা মোহাম্মদ জুয়েল চৌধুরীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জুয়েল চৌধুরীর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত জুয়েল চৌধুরী আখাউড়া পৌরসভার তারাগন গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ মোস্তফা চৌধুরীর বড় ছেলে। জুয়েল চৌধুরীর স্ত্রী এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
অন্য মোটরসাইকেলে থাকা আহত ৩ জন একই উপজেলার প্রান্ত, নাঈম এবং ফারুক।
নিহত সোহেল চৌধুরীর ছোট ভাই মোহাম্মদ ইরফান চৌধুরী বলেন, আমার ভাই সন্ধ্যার সময় মোটরসাইকেল নিয়ে তারাগন-নারায়ণপুর মোড়ে যাওয়ার পর বিপরীত দিক থেকে তিনজন বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালিয়ে আমার ভাইয়ের মোটরসাইকেলে সজোরে আঘাত করে তখন আমার ভাই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যায়। মোটরসাইকেলটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন ।
এ সময় তিনি আরও বলেন, আমি ওই বেপরোয়া ৩ মোটরসাইকেল আরোহীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি প্রশাসনের কাছে।
আখাউড়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. রাশেদুল রহমান নিহতের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মোটরসাইকেল অ্যাক্সিডেন্টে জুয়েল বুকে আঘাত পায়। হাসপাতালে আসার পর সে মারা যায়।
আখাউড়া থানা অফিসার ইনচার্জ রসুল আহমদ নিজামী বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আমরা মামলা নিব।