খাগড়াছড়ি জেলার দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের দুর্গম রথিচন্দ্র কার্বারিপাড়াসহ আশপাশের কয়েকটি এলাকায় অজ্ঞাত রোগে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অসুস্থ হয়ে পড়েছে আরও ১৮/২০ জন শিশু।
খাগড়াছড়ি সদর থেকে ১৭ কিলোমিটার দূরবর্তী প্রত্যন্ত রথিচন্দ্র কার্বারিপাড়া ছাড়াও জেরক পাড়া এবং হেমকপাড়ার শিশুদের মধ্যে এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ধনিকা ত্রিপুরা (৯) মারা গেছে। এখন এলাকার প্রায় ১৮-২০জন শিক্ষার্থী এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। যাদের প্রত্যেকের বয়স ১০ বছরের নিচে।
এদিকে অবস্থা সঙ্কটাপন্ন হওয়ায় চরণ বিকাশ ত্রিপুরার ছেলে পান্তই ত্রিপুরাকে দীঘিনালা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
পান্তই ত্রিপুরার বাবা চরণ বিকাশ ত্রিপুরা জানান, গ্রামের এমন আরো অনেকের অবস্থাই ভালো নয়। কিন্তু যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় এবং আর্থিক সংকটের কারণে তারা তাদের শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারেননি।
খবর শুনে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি মেডিকেল টিম রবিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গেছে।
মেডিকেল টিমের চিকিৎসকরা রথিচন্দ্রপাড়ার বটতলায় বিভিন্ন এলাকা থেকে নিয়ে আসা রোগীদের দেখেন। তাদেরকে চিকিৎসার জন্য্ ওষুধও দেন। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহও সঙ্গে ছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, ‘যদি এটা হামের লক্ষণ হয় অথবা শিশুরা হামেই আক্রান্ত হয়ে থাকে; তাহলে বিশেষ ব্যবস্থায় এমআর ক্যাম্পেইন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’