ভোলায় সাংবাদিক নির্যাতনকারী সেই নাবিল গ্রেপ্তার

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ফোন করে ডেকে নিয়ে মোবাইল চুরির অপবাদে সাংবাদিক সাগর চৌধুরী নির্যাতনকারী সেই নাবিল হায়দারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে বোরহানউদ্দিন পৌর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান। গ্রেপ্তার নাবিল হায়দার উপজেলার বড় মানিকা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন হায়দারের ছোট ছেলে।

আহত সাগর চৌধুরী জানান, কয়েক দিন আগে বড় মানিকা ইউনিয়নের নিবন্ধিত জেলেদের নামে বরাদ্দকৃত চাল বিতরণে অনিয়মের ঘটনা ও রাতের আঁধারে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে চাল সরিয়ে নেওয়ার বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজীকে জানাই। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাবিল আমাকে মঙ্গলবার সকালে ফোন করে জরুরি কথা আছে বলে বোরহানউদ্দিনের গার্লস স্কুল রোড এলাকার রাজমণি সিনেমা হলের সামনে আসতে বলে।

আমি সেখানে যাওয়া মাত্র নাবিল আমার শার্টের কলার ধরে মারধর করে মোবাইল চুরির অপবাদ দেয়। এ সময় আমাকে নির্যাতনের ঘটনা ফেইস বুকে সে লাইভও করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় সেখান থেকে উদ্ধার পাই। পরে ভোলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নেই। ওই রাতেই বোরহানউদ্দিন থানায় নাবিলকে প্রধান আসামি ও ৫ জনকে অজ্ঞাত করে একটি মামলা দায়ের করি।

বোরহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী অফিসার জানান, গত কয়েক দিন আগে আমাকে সাগর চৌধুরী ফোন করে বড় মানিকা ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দের চাল কম দেওয়ার বিষয়টি জানান। আমি ওই চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলি। তখন চেয়ারম্যান বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন সাগর চৌধুরী দুজন লোককে চাল বেশি পাইয়ে দেবে বলে তাদের কাছ থেকে চাল কম দেওয়া হচ্ছে এমন একটি ভিডিও মোবাইল ফোনে রেকর্ড করেন। বিষয়টির তদন্ত চলছে।