চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশনে মারা যাওয়া যুবক শরীফ হোসেনের (২২) নমুনা পরীক্ষায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি।
সোমবার রাতে ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি থেকে ওই পরীÿার ফল পেয়ে আনোয়ারার ইউএনও শেখ জোবায়ের আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পরে রাতে ওই এলাকার ১৪টি পরিবারের লকডাউন প্রত্যাহার করে নেয় প্রশাসন।
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার মধ্যম শিলাইগড়ার বাসিন্দা ওই যুবক গত রবিবার রাতে চমেক হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
তার শ্বাসকষ্ট ও গলাব্যথা ছিল। সোমবার বিকেলে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
এর আগে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। আর সোমবার সকাল থেকে ওই এলাকার ১৪টি পরিবারকে লকডাউন করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শ্বাসকষ্ট ও গলাব্যথায় ওই যুবক মারা যাওয়ার পর পুরো এলাকা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। সবার মধ্যে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল যে তিনি হয়তো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এখন ফল নেগেটিভ আসায় সবাই স্বস্তি বোধ করবেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আবু জাহিদ মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন বলেন, ওই যুবকের মৃত্যুর সময় শ্বাসকষ্টজনিত রোগ ছিল। সতর্কতার অংশ হিসেবে তার মরদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে বিআইটিআইডিতে পাঠানো হয়েছিল। সেখান থেকে পরীক্ষার ফল পাঠানো হয়েছে। ওই ফল নেগেটিভ এসেছে।