গাজীপুর মহানগরীর ৫৭টি ওয়ার্ড এলাকার সাধারণ মানুষকে ঘর হতে বের হওয়া ও অন্য এলাকা থেকে নগরীতে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. জাহাঙ্গীর আলম।
মঙ্গলবার মেয়র বলেন, গাজীপুর মহানগর এলাকায় বিপুলসংখ্যক শিল্প কলকারখানা রয়েছে। এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে লাখ লাখ শ্রমিক চাকরি করেন। এজন্য এখানে করোনা ভাইরাসের বিস্তারের একটি ঝুঁকি রয়েছে।
এছাড়া রাজধানী ঢাকায় প্রবেশ ও বাইরে আসার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। তাই সবদিক বিবেচনায় ঢাকার সন্নিকটে গাজীপুরে করোনাভাইরাস ঠেকাতে নগরবাসীকেও ঘরে থাকতে হবে। বিনা প্রয়োজনে কেউ ঘরের বাইরে যেতে পারবে না।
তিনি আরও বলেন, বুধবার থেকে মহানগরী এলাকায় সকল পোশাক কারখানা বন্ধ থাকবে। শ্রমিকরা যাতে ঘরের বাইরে এসে জড়ো হতে না পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, গাজীপুর মহানগরীতে প্রবেশের ১০টি পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক, টঙ্গী-কালীগঞ্জ মহাসড়ক,কাশিমপুর এলাকায়, বাড়ীয়া এলাকা, টঙ্গীর কামারপাড়াসহ ১০টি পয়েন্টে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম তরিকুল ইসলাম জানান, সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টার পর্যন্ত দোকানপাট খোলা থাকবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সবাই যেন বাজার ও দোকানে যান। দুপুর ১২টার পর কাউকে রাস্তায় বের হতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে সরকারের নির্দেশনা মেনে সকলের সহযোগিতা এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।