ফরিদপুরে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা নেই

ফরিদপুরে এখনো করোনাভাইরাসের পরীক্ষার ব্যবস্থা হয়নি। এ অবস্থায় করোনা সন্দেহে এখানকার আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হওয়া রোগীদের নমুনা পরীক্ষা হচ্ছে ঢাকায়। আবার অনেক রোগীকে এজন্য ঢাকায় নিয়ে যেতে হচ্ছে। আবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনেকের নমুনা ঢাকায় পাঠিয়ে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ব্যবস্থা নিচ্ছে।

এতে চিকিৎসা নিতে আসা সন্দেহভাজন করোনা রোগীদের ভোগান্তির পাশাপাশি আতঙ্ক কাটছে না এখানকার দায়িত্বরত চিকিৎসকদের।
তারা বলছেন, করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীরা আসলেই করোনা আμান্ত কি না সেটি নিশ্চিত না হওয়ায় করোনা আμান্ত নন এমন রোগীদের কাছে যেতেও তারা বিব্রত বোধ করছেন। এতে নির্বিশেষে ভোগান্তিতে পড়েছেন এখানকার রোগীরা।
গত মার্চ মাসে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ফমেক) একটি আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করা হয়। গত সোমবার পর্যন্ত এখানে করোনাভাইরাস আμান্ত সন্দেহে ২৯ জনকে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তারা করোনা আμান্ত কি না সেটি পরীক্ষার ব্যবস্থা না হওয়ায় বিপাকে পড়েন চিকিৎসকরা।
গত ২৫ মার্চ করোনা সংμমণের ঝুঁকির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়ার পরপরই ফরিদপুরের প্রায় সবকটি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে সাধারণ রোগীদেরও চিকিৎসা প্রদান একপ্রকার বন্ধ হয়ে যায়। অনেক চিকিৎসক তাদের প্রাইভেট চেম্বারের সামনে নোটিস টাঙিয়ে রোগী দেখা বন্ধ করে দেন। সরকারি হাসপাতালগুলোতে এ সময় থেকে সাধারণ রোগীরা ডাক্তার না পেয়ে ফিরে আসেন। তবে অস্ত্রোপচারের রোগীসহ অনেকে চিকিৎসা না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন।
ফরিদপুর সদর আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ফরিদপুরের সাধারণ রোগীদের দুর্ভোগ নিরসনে জেলার চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। তার এ প্রচেষ্টার পর বর্তমানে কিছু কিছু চিকিৎসক অবশ্য সীমিত আকারে চিকিৎসাসেবা দেওয়া শুরু করেছেন।
সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও হাসপাতাল মালিকরা এ প্রসঙ্গে জানান, নিজেদের সুরক্ষার পাশাপাশি এখানে করোনাভাইরাসের পরীক্ষার ব্যবস্থা না হওয়ার কারণেই মূলত চিকিৎসকরা একপ্রকার শঙ্কায় রয়েছেন।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. সাইফুর রহমান বলেন, আমরা গত মাসেই করোনার জন্য আইসোলেশন ওয়ার্ড চালু করে এখানে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি।
ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি খুব দ্রুতই ফরিদপুরে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে।
করোনার থাবায় পবার শখের হাঁড়ি