নারায়ণগঞ্জে করোনার ভয়াবহতা বেড়েই চলছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সরকারি হিসেবে এখানে ৪৯ জন শনাক্ত হয়েছেন এবং ৬ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। জ্বর, ঠান্ডা, গলাব্যথা তথা করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১০ জনেরও বেশি।
করোনাভাইরাসের এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে ঢাকায় নমুনা পাঠিয়ে পরীক্ষার রিপোর্ট পেতে পেতে রোগী মারাও যাচ্ছে। তা ছাড়া একাধিক রোগী মারা যাওয়ার পর জানা গেছে তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন। আবার করোনার লক্ষণ শরীরের থাকার পরও সময় মতো রোগীর স্যাম্পলও কালেকশন করছে না দায়িত্বপ্রাপ্তরা।
এমন পরিস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জে জরুরি ভিত্তিতে করোনা পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের অনুরোধ জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের এমপি শামীম ওসমান।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শামীম ওসমান দেশ রূপান্তরকে বলেন, নারায়ণগঞ্জে এখন যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে এমন অবস্থায় ঢাকায় গিয়ে করোনার টেস্ট বা নমুনা স্যাম্পল পাঠিয়ে অপেক্ষা করার সময় না। স্যাম্পল কালেকশন করে রিপোর্ট পেতে পেতে রোগী মারা যাচ্ছে। তা ছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করলেও পরীক্ষার অভাবে তা শনাক্ত করে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। মৃত্যুর পরে পরীক্ষা করে করোনা শনাক্তের কারণে নারায়ণগঞ্জে এর প্রাদুর্ভাব প্রবলভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাই জরুরি ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ল্যাব স্থাপনের জন্য সরকার ও সংশ্লিষ্টদের প্রতি আমি অনুরোধ জানাচ্ছি।
উল্লেখ্য করোনার সংক্রামণ প্রতিরোধে বুধবার থেকে পুরো নারায়ণগঞ্জ জেলাকে লকডাউন করেছে আইএসপিআর।