করিমগঞ্জে করোনায় মারা যাওয়া ব্যবসায়ীর মা-ভাই-স্ত্রীর করোনা শনাক্ত

কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার জঙ্গলবাড়ি মুসলিমপাড়া গ্রামের নিজ বাড়িতে ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া (৪৬) ৬ এপ্রিল জ্বর ও শ্বাসকষ্টে মারা যান। মারা যাওয়ার পর নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে সেলিম মিয়ার কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়ে। কিশোরগঞ্জ জেলায় এটি প্রথম করোনা শনাক্ত।

এবার নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে সেলিম মিয়ার পরিবারের তিন সদস্যের। তার মা, ভাই ও স্ত্রীর কোভিড-১৯ পজিটিভ ধরা পড়েছে।

শনিবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান মারা যাওয়া সেলিম মিয়ার পরিবারের তিন সদস্যের করোনা শনাক্তের বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এ নিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলায় মোট ১০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে করিমগঞ্জে মারা যাওয়া সেলিম মিয়া এবং তার পরিবারের তিন সদস্য রয়েছেন।

এ ছাড়া কিশোরগঞ্জ শহরের আলোরমেলা এলাকার একজন চিকিৎসক ও বত্রিশ এলাকার একজন নারী স্বাস্থ্যকর্মী, ভৈরব থানার একজন পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই), ইটনা উপজেলার জয়সিদ্ধি ইউনিয়নের একজন নারী ও ইটনা সদর ইউনিয়নের সাবেক এক ইউপি সদস্য এবং পাকুন্দিয়া উপজেলার হোসেন্দী চরপাড়া এলাকার এক ব্যক্তি রয়েছেন।

করিমগঞ্জ উপজেলার জঙ্গলবাড়ি মুসলিমপাড়ার সেলিম মিয়া রাজধানী ঢাকায় মুদি দোকানি ছিলেন। গত সোমবার রাতে মারা যাওয়ার সপ্তাহখানেক আগে তিনি গ্রামের বাড়িতে ফেরেন। তিনি জ্বর এবং সর্দি-কাশিতে ভুগছিলেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার সন্দেহে তার শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছিল। করোনা পজিটিভ আসায় করিমগঞ্জ উপজেলার কাদিরজঙ্গল ও জাফরাবাদ ইউনিয়নকে লকডাউন করা হয়েছে।