সালমানের নায়িকা হয়েও ভাগ্য খোলেনি তাদের

সালমান খানের সঙ্গে কাজ করে বলিউডে পায়ের নিচে মাটি পেয়েছেন অনেক নবাগতা। তার উল্টো নজিরও রয়েছে।

বলিউডের বক্সঅফিস সফল ছবিগুলোর মধ্যে অন্যতম ‘ম্যায়নে প্যায়ার কিয়া’। সালমানকে দেয় তারকাখ্যাতি। সেইসঙ্গে পরিচিতি পান ভাগ্যশ্রীও।

অনেকে ভেবেছিলেন, ভাগ্যশ্রী তার ক্যারিয়ারে অনেক দূর এগোবেন। কিন্তু তাদের আশা অধরাই থেকে যায়। অবশ্য ভাগ্যশ্রীর ব্যর্থতার জন্য দায়ী তার নিজের সিদ্ধান্তই। সাফল্যের সিঁড়িতে পা রাখার পর তিনি ঘোষণা করে দেন- স্বামী ছাড়া আর কারো অভিনয় করবেন না।

১৯৯১ সালে মুক্তি পায় ‘সনম বেওয়াফা’। ব্যবসাসফল এ ছবিতে সালমানের নায়িকা ছিলেন চাঁদনি। এরপর আরও কিছু ছবিতে অভিনয় করেন এই নায়িকা। কিন্তু ‘আ জা সনম’, ‘মিস্টার আজাদ’, ‘জয় কিষণ’ পরপর মুখ থুবড়ে পড়ে বক্স অফিসে। তিনি বিদায় নেন ইন্ডাল্ট্রি থেকে। এখন চাঁদনি বিদেশে থাকেন। সেখানে তিনি নৃত্য প্রশিক্ষক।

দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় নায়িকা নাগমা ক্যারিয়ার শুরু করেন বলিউড দিয়ে। মাত্র ১৫ বছর বয়সে অভিনয় করেন ‘বাগী, দ্য রেবেল’ ছবিতে। এই ছবির পরে নায়ক হিসেবে সালমানের জনপ্রিয়তা আকাশোছোঁয়া হয়ে যায়। কিন্তু নাগমার কাছে বলিউডে পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা অধরা-ই থেকে যায়।

১৯৯১ সালে মুক্তি পাওয়া ছবি ‘লাভ’-এ নায়িকার ভূমিকায় ছিলেন রেবতী মেনন। তিনি দক্ষিণী ছবির জনপ্রিয় নায়িকা ছিলেন। বলিউডে ক্যারিয়ার শুরুর সময় নায়ক হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন সালমানকে। রেবতী ভেবেছিলেন সালমানের সঙ্গে বলিউড-যাত্রা শুরু হলে পরিচিতি পেতে সুবিধা হবে। কিন্তু তার সেই চিন্তা সম্পূর্ণ ভুল প্রমান হয়। ২০১৪ সালে বেরতী আবার ফিরে আসেন বলিউডে। ‘টু স্টেটস’ ছবিতে তিনি অভিনয় করেন আলিয়া ভাটের মায়ের ভূমিকায়।

‘সূর্যবংশী’ ছবিতে সালমানের বিপরীতে ছিলেন শিবা। তিনি ছিলেন টেলিভিশনের পরিচিত নায়িকা। কিন্তু সালমানের জাদু কাজ করেনি। পরে এই নায়িকা আর সিনেমামুখী হননি।