করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে লকডাউন বাস্তবায়ন করতে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা ও মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে নৌ-টহল জোরদার করেছে কোস্টগার্ড।
বুধবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই দুই নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে টহল কার্যক্রম পরিচালনার সময় লকডাউন অমান্য করে যাত্রী পরিবহনের অপরাধে ৬টি বাল্কহেড ও যাত্রীবাহি ট্রলার আটক করে যাত্রীদের ফেরত পাঠানো হয়।
এ সময় কোস্টগার্ড কর্মকর্তারা নৌ-পথে নৌযান চলাচল না করতে হ্যান্ড মাইকের মাধ্যমে বিভিন্ন নৌ-যান চালক ও সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে দেন। পরবর্তীতে কেউ সরকারের আদেশ ভঙ্গ করলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. হায়াত ইবনে সিদ্দিকী দেশ রূপান্তরকে জানান, নৌ-পথে লকডাউন নিশ্চিত করতে বেশ কিছুদিন ধরেই তারা টহল অব্যাহত রেখেছেন। রাজধানীর সদরঘাট থেকে চাঁদপুর মুন্সীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ রুটে ধলেশ্বরী, মেঘনা ও শীতলক্ষ্যা নদীতে সাতটি চেকপয়েন্টে নিয়মিত তল্লাশি করা হচ্ছে। শুধুমাত্র খাদ্য পণ্যের নৌ-যানগুলো ছাড়া অন্য কোন ধরণের পণ্যবাহি জাহাজ, ও যাত্রীবাহি নৌ-যান যাতে চলাচল করতে না পারে সেজন্য চেকপোস্টগুলোর পাশাপাশি টহলের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে।
টহল কাজে তিনটি জাহাজসহ বেশ কয়েকটি স্পীডবোট ব্যবহার করছেন তারা। এছাড়া কোস্টগার্ডের কর্মকর্তারাসহ প্রায় শতাধিক সদস্য নৌ-পথে টহল কাজে নিয়োজিত আছেন বলে জানান সংস্থাটির এই কর্মকর্তা।