নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান ধান কাটা কাজে শ্রমিকদের উৎসাহ যোগাতে মাঠে গিয়ে নিজে ধান কাটলেন।
শনিবার সকালে উপজেলার ভীমপুর ইউনিয়নের পাতনা মাঠে নেমে নিজেই কাস্তে হাতে শ্রমজীবীদের ধান কাটায় যোগ দেন। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাও ধান কাটতে নেমে পড়েন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিজানুর রহমান বলেন, সরকার কৃষকের পাশে সবসময়ের জন্য আছে। উপজেলার ভীমপুর পাতনা বিলে গিয়ে কৃষকদের সাথে ধান কেটেছি যাতে বিভিন্নশ্রমজীবী ও কৃষকরা উৎসাহিত হয়। এভাবে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে কৃষকদের উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মাননীয় সংসদ সদস্যের সাথে পরামর্শ করে সকল স্তরের জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে ধান কাটা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে এবার অন্যান্য জেলা থেকে খুব কম সংখ্যক শ্রমিক আসবে। সে কারণে হোটেল শ্রমিক, ভ্যানচালকসহ বিভিন্ন শ্রমজীবীদের সাথে নিয়ে মহাদেবপুর উপজেলায় ধান কাটা চলছে। যারা ধান কাটায় অংশগ্রহণ করছে তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সরকারিভাবে ত্রাণ দেওয়া হবে।
করোনা পরিস্থিতিতে শ্রমিকসংকট মোকাবিলায় কর্মহীন লোকদের ধান কাটার কাজে নামতে উদ্বুব্ধ করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অরুন চন্দ্র রায় বলেন, মহাদেবপুর উপজেলায় ২৭ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৫ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ২০ দিনের মধ্যে পুরো উপজেলাতে ধান কাটা শেষ হয়ে যাবে।