অর্থনীতি আর সামাজিক জীবনে কিছুটা গতি আনতে লকডাউন বহাল রেখেই কয়েকটি বিধিনিষেধ শিথিল করেছে ভারত এবং পাকিস্তান।
ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার থেকে আবাসিক এলাকায় ছোট ছোট দোকানপাট খোলার অনুমতি দিয়েছে। যেসব এলাকায় সংক্রমণ বেশি সেখানে এ নির্দেশ অবশ্য প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ সেখানে দোকানপাট আগের মতোই বন্ধ থাকবে।
এনডিটিভি জানিয়েছে, কেবল আবাসিক এলাকাই নয়, শহর ও শহরাঞ্চলের বাইরে বিভিন্ন বাজারের দোকানও খোলার অনুমতি দিয়েছে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে মল ও সুপারমার্কেটগুলো বন্ধ থাকবে। ই-কমার্স সংস্থাগুলোও অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের ডেলিভারি দিতে পারবে।
ভারতে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ হাজার ৫০৬ জনের দেহে কভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে; মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৭৭৫ এ। সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ৬৩ জন। দেশটিতে আগামী ৩ মে পর্যন্ত লকডাউন।
পাকিস্তানে ৯ মে পর্যন্ত লকডাউন দেয়া থাকলেও দেশটির সরকার শনিবার থেকে সতর্কতামূলক নির্দেশনা মেনে কিছু শিল্প প্রতিষ্ঠান ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর অনুমতি দিয়েছে।
রমজান মাসে পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে তার উপরই পরবর্তী সব সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে বলেও সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
দেশটির কর্তৃপক্ষ রমজান উপলক্ষে সিন্ধু প্রদেশ ছাড়া বাকি সব এলাকার মসজিদগুলোও খুলে দিয়েছে।
শনিবার সকাল পর্যন্ত পাকিস্তানে ১১ হাজার ৯৪০ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সুস্থ হয়েছেন ২ হাজার ৭৫৫ জন। মারা গেছেন ২৫৩ জন।