এক ঝলকে

চার পরিবারকে খাবার দিচ্ছেন লারা লোটাস

করোনা দুর্যোগে আর্থিক কষ্টে পড়া চারটি পরিবারের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী লারা লোটাস। রোজা উপলক্ষে চারটি পরিবারের খাবার সরবরাহ করেছেন তিনি। লারা বলেন, ‘কিছুদিন আগে ব্যক্তিগতভাবে আমি স্বল্প আয়ের কিছু মানুষকে সহযোগিতা করেছিলাম। তখন দেখেছি মানুষের কষ্ট। ঢালাওভাবে অনেককে দু-এক দিনের জন্য সহযোগিতা না করে পুরো মাসের জন্য সহযোগিতা করাটাই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। সেজন্যই আমার পরিচিত চারটি পরিবারের পুরো মাসের খাবারের ব্যবস্থা করেছি। তারা ঈদের দিনও ভালো-মন্দ খেতে পারবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি যতটুকু পারছি করছি। আমার ইচ্ছাকে সফল করার পেছনে আমার পরিবারের ভূমিকা আছে। তারা সহায়তা করেছেন বলেই আমি কয়েকটি পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পেরেছি। যার যার জায়গা থেকে প্রত্যেকের এগিয়ে আসা উচিত। তাহলে মানুষের ক্ষুধার কষ্ট থাকবে না।’

মাকে শেষ দেখা হলো না ইরফানের

মা হারালেন বলিউডের মেধাবী অভিনেতা ইরফান খান। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগেছেন তার মা সাইদা বেগম। গত শনিবার রাতে ৯৫ বছর বয়সে ভারতের জয়পুরে তিনি মারা যান। মায়ের মৃত্যুর সময় পাশে থাকতে পারেননি এই তারকা। ভারত লকডাউনের আগেই নতুন ছবির শ্যুটিংয়ের কাজে দেশের বাইরে গিয়েছিলেন ইরফান। এজন্য মাকে শেষ দেখা হলো না তার। ইরফানের মা সাইদা বেগম জয়পুরের নবাব পরিবারের মেয়ে ছিলেন। ইরফানের পরিবারের সদস্যরা গতকাল তার দাফন সম্পন্ন করেন। মায়ের মৃত্যুর সময় পাশে থাকতে পারলেও ভিডিওকলের মাধ্যমে দূর থেকে মায়ের শেষযাত্রা দেখেছেন।

করোনা ভ্যাকসিন গবেষণায় হ্যাঙ্কস দম্পতির সহায়তা

টম হ্যাঙ্কস ও রিটা হ্যাঙ্কস দম্পতি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর চিকিৎসা নিয়ে সেরে উঠেছেন। তাই ধারণা করা হচ্ছে, তাদের শরীরে করোনা অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। এজন্য করোনা ভ্যাকসিন গবেষণাগারে রক্ত দিয়ে সহযোগিতা করলেন এই দম্পতি। বিজনেস ইনসাইডার সূত্রে জানা গেছে, করোনাযুদ্ধে জয়ী এই দম্পতি নিজেরাই কভিড-১৯ নিয়ে গবেষণাকার্যে তাদের রক্ত ও প্লাজমা দেওয়া আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এ ব্যাপারে টম বলেন, ‘আমরা বলেছি, তোমরা কি আমাদের রক্ত চাও? আমরা কি প্লাজমা দিতে পারি? আমরা এমন এক স্থানে এটি দেব, যা কাজে লাগবে। আমি একে বলতে চাই হ্যাঙ্ক-সিন।’ টম আরও বলেন, ‘অনেক প্রশ্নই এখন ঘুরছে। আমরা এখন কী করছি? আমাদের করার মতো কী রয়েছে? এবং সত্য হলো, আমরা লক্ষ করলাম, আমরা অ্যান্টিবডি বহন করছি।’

খেতে না পাওয়া রানু খাওয়াচ্ছেন অন্যদের

কদিন আগেও নদীয়া জেলার রানাঘাট স্টেশনে ভবঘুরে হয়ে ঘুরে বেড়াতেন রানু মণ্ডল। সবাই ‘পাগলি’ বলে ডাকলেও সুরেলা কণ্ঠ বদলে দিয়েছে তার ভাগ্য। এখন তিনি বলিউডের একজন কণ্ঠশিল্পী। আর এখন করোনা মহামারীতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের ত্রাণ দিচ্ছেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের এক নাগরিকের ফেইসবুক পোস্ট থেকে জানা গেছে, নিজ এলাকা রানাঘাটের বেশ কিছু দরিদ্র ও গরিব মানুষকে নিজের সাধ্যমতো চাল, ডাল, ডিমসহ প্রয়োজনীয় কিছু জিনিস ত্রাণ হিসেবে দিয়েছেন। একটি ছবিতে দেখা যায়, নিজের বাড়ির দরজা থেকে কিছু মানুষকে প্যাকেট তুলে দিচ্ছেন তিনি। রানুর এ কাজের প্রশংসা করেছেন অনেকেই। সামাজিক মিডিয়ার মাধ্যমে বলিউডে ঠাঁই হয় রানুর। সংগীত পরিচালক হিমেশ রেশামিয়ার মাধ্যমে বলিউডের দুটি গানে কণ্ঠ দেন তিনি। ‘হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হির’ সিনেমার জন্য হিমেশ রেশমিয়ার সুরে ‘তেরি মেরি’ গানটি রেকর্ড করা হয় রানুর কণ্ঠে। প্রথম গানের জন্য রানু ছয় লাখ রুপি সম্মানী  পেয়েছেন।