স্পেশাল পার্সেল ট্রেন চালু করা হয়েছে: রেলমন্ত্রী

রেলপথ মন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, বৈশ্বিক মহামারী কভিড -১৯ এর প্রেক্ষিতে লকডাউন অবস্থায় কৃষকের উৎপাদিত পণ্য, শাক-সবজি , খাদ্য ও পচনশীল সামগ্রী পরিবহনের জন্য বাংলাদেশ রেলওয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম -ঢাকা, ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ -ঢাকা এবং খুলনা-ঢাকা- খুলনা রুটে তিন জোড়া পার্সেল স্পেশাল ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আজ শুক্রবার থেকে এটি কার্যকর হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে বোদা উপজেলার ময়দানদীঘি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে ত্রাণ সহায়তা বিতরণকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

রেলমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে ছাড়বে প্রতিদিন সকাল ১০টায়, ঢাকায় পৌঁছাবে রাত সাড়ে ৮টায়।

ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ- ঢাকা রুটের ট্রেনটি দেওয়ানগঞ্জ থেকে ছাড়বে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টায় এবং ঢাকায় পৌঁছাবে রাত পৌনে ৩টায়। খুলনা-ঢাকা- খুলনা রুটে খুলনা থেকে ছাড়বে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে, ঢাকায় পৌঁছাবে রাত সাড়ে ৩টায়। এটি সপ্তাহের শুক্র, রবি ও মঙ্গলবার চলাচল করবে। অন্য দুটি রুটের ট্রেন সপ্তাহের ৭ দিনই চলাচল করবে।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের পঞ্চগড় থেকে টমেটো, তরমুজসহ বিভিন্ন শাকসবজি স্বল্প ভাড়ায় বেশি পরিমাণে পরিবহন করতে পারি সেজন্য পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ী হোক বাইরের ব্যবসায়ী হোক আমরা তাদের আহ্বান জানাচ্ছি। সাধারণ মানুষের জন্য আমাদের রেলযোগাযোগে এটি একটি নতুন সংযোজন। এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনায় চালু করা হয়েছে।

তিনি ময়দানদীঘি ইউনিয়নের ৪২৬ জনের মাঝে চাল, ডাল, শাকসবজি ও নগদ অর্থ সহায়তা বিতরণ করেন।

এখানে বোদা উপজেলার ১৮ টি কওমি মাদ্রাসার শিক্ষকদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে অনুদানের চেক বিতরণ করেন। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনুযায়ী ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়।

 এ সময় জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট, বোদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুক আলম টবি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।