বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আতঙ্কে লকডাউন শুরু হলে কোরিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীরা ফেসবুকে পেজ খুলে দেশের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়াতে অনুদান সংগ্রহ শুরু করে। উদোগের সাথে জড়িতদের পরিকল্পনায় ছিল:
১. হসপিটাল বা স্বাস্হ্য সেবায় জড়িতদের পিপিই বা সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ।
২. প্রান্তিক বা অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা।
প্রথম পর্যায়ে কাজ ইতিমধ্যে সমাপ্ত হয়েছে, দেশে মেডিশিন ক্লাবে সহায়তার ১৩টি জেলা শহরের হাসপাতালে ৭০০ পিপিই সরবারহ করা হয়েছে।
১.নারায়ণগঞ্জ
২.মাদারীপুর
৩.মুন্সীগঞ্জ
৪.গাজীপুর
৫..কুমিল্লা
৬.রংপুর
৭.ময়মনসিংহ
৮.কিশোরগঞ্জ
৯.দিনাজপুর
১০.ব্রাহ্মণবাড়িয়া
১১.রাজশাহী
১২.বরিশাল
১৩.হবিগঞ্জ
এর বাইরে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামকেও পিপিই প্রদান করা হয়।
মেডিসিন ক্লাব তালিকা নিয়ে কোরিয়া প্রবাসীদের ৭০০ পিপিই বণ্টনে সহযোগিতা করে।
দ্বিতীয় পর্যায়ে, দেশের ৮ জেলার ৮০০ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, পরে সংখ্যা বেড়ে অতিরিক্ত বেশ কিছু পরিবারের অনুরোধ আসে সমন্বয়কারীদের কাছে (এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে ৮৩৫ পরিবারকে সাহায্য করা হয়েছে)।
এ পর্যায়ের কর্মসূচি সমন্বয় করছে কোরিয়া প্রবাসী বাংলাদেশি যারা দেশে আছেন। জেলা গুলো হচ্ছে :
১. নীলফামারী
২. কুড়িগ্রাম
৩.পাবনা
৪.বরিশাল
৫.খুলনা
৬. চট্টগ্রাম
৭. লালমনিরহাট
৮.নারায়ণগঞ্জ
জেলার দায়িত্বে নিয়োজিত সমন্বয়কারীরা প্রতিটি পরিবারে তথ্য কোরিয়াতে আর্থিক অনুদান সংগ্রহকারীদের কাছে দিয়েছে স্বচ্ছতার নিশ্চিত করার জন্য।
কোরিয়া প্রবাসীদের নানা সংগঠন থাকলেও তার বাইরে এবার ‘প্রবাসী’ পরিচয়ের পজিটিভ ব্র্যান্ডিং এর প্রতি জোর দিতে চেয়েছেন কোরিয়া প্রবাসীরা ।
অনুদান গ্রহণ আপাতত বন্ধ, পরে উদ্যোগের সঙ্গে জড়িতরা আলোচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম ঘোষণা করবে।