করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে সাধারণ ক্ষমায় ঠাকুরগাঁওয়ে ১৯ জন কয়েদিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে ওই কয়েদিদের কারাগার থেকে মুক্তি দেয়া হয় বলে নিশ্চিত করেন ঠাকুরগাঁও জেলা কারাগারের জেলার মো. শাহ আলম।
মুক্তিপ্রাপ্তরা হলেন- খাদেমুল ইসলাম, মোফাজ্জল হোসেন, আল মামুন, রবিউল ইসলাম, সুমন ইসলাম, ফজলুল করিম, শহিদ আলী, দিলদার আলী, জয় চন্দ্র, সৌমিক আহম্মেদ, সোহেল রানা, মোমিনুল ইসলাম মোমিন, আরিফুল ইসলাম বুলেট, ওমর ফারুক, মোফাজ্জল হোসেন, সামুয়েল রানা, সাহেরুল ইসলাম, মমতাজ আলী ও আলাউদ্দীন।
তাদের মধ্যে সর্বোচ্চ বয়স ৫০ ও সর্বনিম্ন ২০ বছর। মুক্তিপ্রাপ্তরা চুরি, মারধর ও ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদকদ্রব্য মামলার রায়ে সাজা ভোগ করছিলেন।
জেলার মো. শাহ আলম বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি এড়াতে ২৯ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ (কারা-২) শাখার এক প্রজ্ঞাপনের নির্দেশনা অনুযায়ী ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০১ (১) ধারার প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার কর্তৃক উল্লিখিত ঠাকুরগাঁওয়ের ২২ জন কয়েদির অবশিষ্ট কারাদণ্ড মওকুফ করা হয়।
তিনি আরও বলেন, সরকারের সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কিছুদিন আগে প্রথম দফা ৩ জনকে মুক্তি দেয়া হয় এবং শুক্রবার দ্বিতীয় দফায় আরও ১৬ জন কয়েদিকে মুক্তি দেয়া হয়। বাকি ৩ জন অর্থদণ্ড দিলেই তাদের মুক্তি দেয়া হবে।
জেলার বলেন, জেলা কারাগারে কয়েদির ধারণ ক্ষমতা রয়েছে ১৬৮ জন। কিন্তু ধারণ ক্ষমতার চেয়ে বেশি ৩২০ জন কয়েদি রয়েছে। এর মধ্যে ৩০৮ জন পুরুষ ও ১২ নারী।