নিজেদের সময়ের চেয়ে এই সময়ের ক্রিকেটারদের গেম সেন্সের অভাব দেখেন দেশের ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমান বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন।
সাবেক এই অধিনায়ক বলছেন, ‘আমাদের সময়ে আমরা স্কিলের দিক থেকে অতটা ভালো বোলার ছিলাম না কেউ। আমাদের টেকনিক্যাল অনেক প্রবলেম ছিল। কিন্তু আমাদের গেম সেন্স ভালো ছিল।’
সম্প্রতি বর্তমান ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালের সঙ্গে ফেইসবুক লাইভ আড্ডায় সুজন এসব কথা বলেন।
আড্ডায় ছিলেন আরো দুই সাবেক অধিনায়ক নাইমুর রহমান দুর্জয় ও হাবিবুল বাশার সুমন। তিন সাবেকের সঙ্গে তামিমের এই আড্ডার মূল উদ্দেশ্যই ছিল আগের সময়ের ক্রিকেটারদের সংগ্রামের গল্পগুলো জানা।
আড্ডায় মজার অনেক তথ্যের সঙ্গে আগে ক্রিকেটাররা কতটা কম সুযোগ-সুবিধার মধ্যে এগিয়ে গেছেন সেসব তথ্য ওঠে আসে। সুজন যেমন বলছিলেন, ‘বোলিং মেশিন দেখেছিলাম আমরা বিশ্বকাপের আগে। তাও সেটার নাম দিয়েছিলাম ‘মুচকি হাসি’।’
তামিমকে সুজন গল্প বলে যান এভাবে, ‘তোরা আজকে এটা শট ঘণ্টার পর ঘণ্টা ট্রেনিং করিস। আমাদের সময় একটা আউট সুইং আসত বা একটা ইনসুইং আসত, এটা ছিল অনেক কষ্টের।’
‘আমাদের যেটা ছিল, আমরা রেগুলার ম্যাচ দেখতাম। প্রিমিয়ার লিগের খেলা বা টিভিতে যে কোনো খেলা। আমাদের গেম সেন্স কিন্তু ভালো ছিল।’
এখন ক্রিকেট অনেক এগিয়েছে। তবে গেম সেন্সের জায়গাটিতে এখনকার ক্রিকেটাররা পিছিয়ে বলে মনে করেন সুজন।
দীর্ঘদিন জাতীয় দলে ম্যানেজার, কখনো আবার সহকারী কোচ বা অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে কাজ করেছেন সুজন। বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যানও তিনি।
সেই সুজন বলছেন, ‘এখন ন্যাশনাল টিমে যারা আছে বা তার পরে যারা আছে, আমি যেটা ফিল করি, আমাদের স্কিল অনেক ভালো। ছেলেরা এখন অনেক সাহসী। কিন্তু গেম সেন্সের জায়গায় আমরা ওই বয়সে যতটুকু এগিয়ে ছিলাম, এই বয়সে কিন্তু গেম সেন্স সে রকম হয় না। কারণ আমাদের ছেলেরা মাঠে গিয়ে খেলা দেখে না।’