ভুতুড়ে ডার্বি দিয়ে মাঠে ফিরছে বুন্দেসলিগা

জার্মান ক্লাব ফুটবলের সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ডার্বি বলা হয় ‘বরুশিয়া ডর্টমুন্ড-শালকে ০৪’ লড়াইকে। জার্মান ভাষায় বলা হয় ‘রেভার ডার্বি’। এই ডার্বি দিয়েই আগামীকাল শনিবার ফের বুন্দেসলিগা শুরু হবে। তবে এবারের ডার্বি পরিণত হতে যাচ্ছে ‘ঘোস্ট ডার্বি’তে, অর্থাৎ ভুতুড়ে ডার্বিতে।

কারণটি অবশ্য সবারই জানা। করোনাভাইরাসের কারণে দুই মাস বুন্দেসলিগা স্থগিত ছিল।  শনিবার খেলা শুরু হলেও মাঠে থাকবে না কোনো সমর্থক। বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের মাঠ সিগনাল ইদুনা পার্কের দর্শক ধারণক্ষমতা ৮০ হাজার। অথচ শনিবার সব মিলিয়ে থাকবে বড়জোর ৩০০ মানুষ। ডর্টমুন্ড প্রো-প্লেয়ারদের প্রধান সেবাস্টিয়ান কেহল বলেন, ‘এটি অবশ্যই ইতিহাসের অন্যতম অস্বাভাবিক ডার্বি হবে। এই খেলাটি স্টেডিয়ামে দর্শকদের ছাড়া, তাদের আবেগ ছাড়া হবে। সমর্থকদের উৎসাহ খুব বেশি মিস করবে খেলোয়াড়রা। এটি ভুতুড়ে একটি ম্যাচ হবে।’ শনিবারের ম্যাচে দু’দলের খেলোয়াড়, কোচ, কর্মকর্তা, ব্রডকাস্টের লোক মিলে ২০০ জনের মতো মাঠের ভেতরে থাকবেন। আর বাকি ১০০ জন থাকবেন মূলত নিরাপত্তার দায়িত্বে মাঠের বাইরে। কাগজে-কলমে ম্যাচে এগিয়ে থাকছে ডর্টমুন্ড।  করোনাভাইরাসের কারণে লিগ স্থগিত হওয়ার আগে সবশেষ ৮ ম্যাচের ৭টি জিতেছে বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। জানুয়ারি থেকে হিসাব করলে ডর্টমুন্ডের আর্লিং ব্রড হালান্ড এবং জাডোন স্নাচো (৯ গোল) পুরো শালকে দলের (৪) চেয়ে দ্বিগুণের বেশি গোল করেছেন। তবে ডর্টমুন্ড এই ম্যাচে ইনজুরির কারণে পাবে না অধিনায়ক মার্কো  রেউসকে। অপরদিকে শালকে সবশেষ ৭ লিগ ম্যাচে জয় পায়নি। তবে এই দু’দলের সবশেষ ৫ ডার্বি লড়াইয়ে এগিয়ে শালকে। তারা জিতেছে ২টি, ১ জয় ডর্টমুন্ডের। বাকি ২ ম্যাচ ড্র হয়।  লিগে ২৫ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে ডর্টমুন্ড। সমান ম্যাচে ৩৭ পয়েন্টে শালকের অবস্থান ষষ্ঠ। খেলোয়াড়রা অনুশীলনে আরও আগে মাঠে ফিরলেও তাদের ম্যাচ ফিটনেস নিয়ে শঙ্কা থেকেই যাচ্ছে।