জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে দুই জেলায় আরও তিনজন মারা গেছেন। এর মধ্যে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কাশিপুর গ্রামে জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি, শৈলকুপার কেষ্টাপুরে একই সমস্যা নিয়ে মারা যান এক নারী। এছাড়া বাগেরহাটের কচুয়ায় জ্বর ও গলা ব্যথা নিয়ে ঢাকা ফেরত আরেক নারীর মৃত্যু হয়েছে। দেশ রূপান্তরের নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্যুরো অফিস, প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর অনুযায়ী গত ৩৫ দিনে সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্টে এ নিয়ে মারা গেছেন ১৬২ জন।
ঝিনাইদহ : গত বুধবার রাতে কালীগঞ্জ উপজেলার কাশিপুরে জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে ঢাকা থেকে আসা শুকুর আলী নামে ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই উপজেলার ঘোপপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। কাশিপুরে তার শ্বশুরবাড়ি। শুকুর ডায়াবেটিস রোগে ভুগছিলেন। ঢাকাতে একটি মার্কেটের নৈশপ্রহরীর চাকরি করতেন তিনি। কালীগঞ্জ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ডা. সুলতান আহমেদ জানান, করোনা উপসর্গে মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এদিকে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ডা. রাশেদ আল মামুন জানান, উপজেলার কেষ্টপুর গ্রামের মিল্টন সর্দারের স্ত্রী পারভীন আক্তার করোনা উপসর্গ নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যান। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
বাগেরহাট : বাগেরহাটের কচুয়ায় জ্বর ও গলা ব্যথা নিয়ে ঢাকা থেকে ফেরা ৪৮ বছর বয়সী এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল ভোর ৫টায় উপজেলার উত্তর মাধবকাঠি গ্রামের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক মেডিকেল অফিসার মনিশংকর পাইক বলেন, মারা যাওয়া ওই নারী স্বামীর সঙ্গে ঢাকায় থাকতেন। সাত দিন আগে তারা বাড়িতে আসেন। উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি ও ডায়াবেটিস ছিল ওই নারীর। স্বাস্থ্য বিভাগ ওই নারীর এবং তার সংস্পর্শে আসা পরিবারের চার সদস্যের নমুনা সংগ্রহ করেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে বলেও জানান মনিশংকর পাইক।