শাইনিংয়ে থুথু নিষিদ্ধ হচ্ছে ঘামে আপত্তি নেই

মুখের লালা ব্যবহার করে যেভাবে বল চকচকে করে দেন বোলার-ফিল্ডাররা, সেই প্রথা থাকছে না। আইসিসি এই প্রচলন বন্ধ করার প্রাথমিক সম্মতি জানিয়েছে। করোনাভাইরাসের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিতে হলো আইসিসি কমিটিকে। এবার শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি। ক্রিকেট বর্তমান পরিস্থিতি কাটিয়ে মাঠে ফিরলেই বল শাইনিংয়ের পুরনো এই প্রথা আর দেখা যাবে না।

ভারতের কিংবদন্তি স্পিনার অনিল কুম্বলের সভাপতিত্বে আইসিসির ক্রিকেট কমিটি গতকালই নতুন সিদ্ধান্তে সর্বসম্মতিক্রমে একমত হয়। মুখেল লালা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আনলেও শরীরের ঘাম ব্যবহার নিষিদ্ধ করছে না কমিটি। কমিটি। তাই বোলার-ফিল্ডাররা বল শাইনিংয়ে একটি পুরনো রীতি চালিয়ে যেতে পারবেন। আগে থেকেই মুখের লালার পাশাপাশি বলের এক পাশ উজ্জ্বল বা পরিষ্কার করে সুইং করানোর জন্য শরীরের ঘামও ব্যবহার করে আসছে ফিল্ডিং দল। এর সঙ্গে বোলারদের বাতাসে সুইং করানো রপ্ত করার পরামর্শও দিয়েছে উক্ত কমিটি।

কমিটির প্রধান ১৩২ টেস্টে ৬১৯ উইকেট শিকারি কুম্বলে বলেন, ‘আমাদের কমিটি আজ যে নির্দেশনা দিয়েছে এটি ক্রিকেটের মুখ্য বিষয় ঠিক রেখে মাঠে খেলাটিকে ফেরানোর চেষ্টার একটা অংশ।’ এই কমিটির নির্দেশনা বা প্রস্তাবনা আগামী জুনে আইসিসির প্রধান নির্বাহীদের সভায় পেশ করা হবে। সেখান থেকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। কুম্বলে জানান, ‘মুখের লালার মাধ্যমে ভাইরাস ছড়ানোর ঝুঁকি আছে। তাই বল শাইনিংয়ে এই বিষয়ে পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু কোনো স্বাস্থ্যবিধিতে জানা যায়নি যে ঘামের মাধ্যমেও ভাইরাসটি ছড়ায়। তাই ঘাম ব্যবহারের বিষয়টিতে বদল আনা হয়নি।’

আইসিসির ঘোষণার আগেই ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের খেলোয়াড়দের মুখের লালা এবং ঘাম দুটোই ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা শুনিয়েছে। এর বদলে বল শাইনিংয়ের জন্য ভিন্ন বস্তু ব্যবহার করবে তারা।